যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ১৮ অগাস্ট, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 07:33am

|   লন্ডন - 02:33am

|   নিউইয়র্ক - 09:33pm

  সর্বশেষ :

  স্তন্যপান করিয়ে বিপন্ন শিশুকে বাঁচালেন আর্জেন্টিনার পুলিশ কর্মকর্তা   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু   সরকার কোনো আন্দোলনকে দানা বেঁধে উঠতে দেবে না : এরশাদ   বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন প্রিয়াঙ্কা-নিক   ফিলিস্তিনিদের ঘরে ফেরার আন্দোলনে নিহত ১৬৬   প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ইমরান খান   ফাইনালে পারল না বাংলাদেশি মেয়েরা   মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে : নাসিম   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান আর নেই   সবচেয়ে বেশি আয় স্কারলেট জোহানসনের   শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার দাবি ড. কামালের   ছাত্র আন্দোলনে ‘গুজব’ ছড়ানোর অভিযোগে কফিশপের মালিক ফারিয়া রিমান্ডে   এবার ট্রাম্পের পুত্রবধূর বিরুদ্ধে অভিযোগ   যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন!   হ্যান্ডশেক না করা সেই সুইডিশ তরুণী মামলায় জিতলেন

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

খালেদা জিয়া ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন : শত নাগরিক কমিটি

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০২-০৯ ১০:৩২:১৬

নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কারাদণ্ড হওয়া এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত ‘শত নাগরিক কমিটি’র নেতারা।

শুক্রবার সংগঠনটির সদস্য সচিব কবি আবদুল হাই শিকদার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘যে ঘটনার সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার ন্যূনতম কোন সংশ্লিষ্টতা নেই, সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি সাজানো মামলায় তাঁকে ৫ বছরের যে সশ্রম কারাদ- হয়েছে, তাতে এই কথা স্পষ্ট, তিনি মোটেই ন্যায়বিচার পাননি।’

‘আমরা মনে করি এই প্রশ্নবিদ্ধ রায় ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ভয়ানকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এই মামলাকে কেন্দ্র করে সরকারের দায়িত্বশীল মহল বিভিন্ন সময়ে যেসব কথাবার্তা বলেছে, তাতে মনে হয় এই রায় পুরোপুরিভাবে প্রতিহিংসা থেকে উৎসারিত, পূবনির্ধারিত। যা দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের এই জননন্দিত নেত্রীকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার বাইরে রাখার একটা অপপ্রয়াস বলে মনে করা যেতে পারে।”

তারা বলেন , ‘খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখার নামে একটি পরিত্যক্ত ভবনে রেখে যেভাবে অসম্মান ও হয়রানি করা হচ্ছে তা শুধু শিষ্ঠাচার বর্জিতই নয়, রীতিমতো হৃদয়হীনতার নিষ্ঠুর উদাহরণ। এটা আমাদের ধর্ম, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির পরিপন্থী।’

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হওয়া মামলা প্রত্যাহার করে তার মুক্তি দাবি করেন তারা।

বিবৃতি দাতারা হচ্ছেন, অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ (আহ্বায়ক), সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুর রউফ, প্রফেসর ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ড. মাহবুব উল্লাহ, মোহাম্মদ আসাফউদ্দৌলাহ, শওকত মাহমুদ, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহফুজ উল্লাহ, প্রফেসর আফম ইউসুফ হায়দার, রুহুল আমিন গাজী, আবদুল হাই শিকদার (সদস্য সচিব), ড. ওয়াকিল আহমেদ, ড. খন্দকার মুশতাহিদুর রহমান, ড. সদরুল আমিন, ড. তাজমেরী এস এ ইসলাম, ড. মোসলেহ উদ্দীন তারেক, গাজী মাযহারুল আনোয়ার, আলমগীর মহিউদ্দিন, এম আব্দুল্লাহ, এম এ আজিজ, সৈয়দ আবদাল আহমদ, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, কাদের গণি চৌধুরী, ড. রাশিদুল হাসান, ইঞ্জিনিয়ার আনহ আখতার হোসেন, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, ড. আব্দুর রহমান সিদ্দিকী, ড. আমিনুর রহমান মজুমদার, ড. জেড এম তাহমিদা বেগম, প্রফেসর আকা ফিরোজ আহমদ, ড. আখতার হোসেন খান, ড. মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন (মালয়েশিয়া), প্রফেসর ইশাররফ হোসেন (মালয়েশিয়া), ড. কেএমএ মালিক (যুক্তরাজ্য), শেখ মহিউদ্দিন আহমেদ (আয়ারল্যান্ড), আতিকুর রহমান সালু (যুক্তরাষ্ট্র), জয়নাল আবেদিন (যুক্তরাষ্ট্র), মঞ্জুর আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র), আবদুল্লাহিল বাকী (ফ্রান্স), তমিজ উদ্দিন (ইতালি), ড. মোবাশে¡র মোনেম, ড. আবুল হাসনাত, ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান, ড. এবি এম সিদ্দিকুর রহমান নিজামী, প্রফেসর ড. আজহার আলী, মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান খান, ড. খলিলুর রহমান, ড. সাহিদা রফিক, ড. মো: হায়দার আলী, প্রফেসর একেএম আজহারুল ইসলাম, প্রফেসর ড. রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর কেএএম শাহাদাত হোসেন মন্ডল, প্রফেসর ড. হাসান মোহাম্মদ, প্রকৌশলী কাজী এম. সুফিয়ান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, প্রফেসর ড. মোশাররফ হোসেন মিঞা, প্রফেসর ড. মোখলেছুর রহমান, প্রফেসর ড. সুকোমল বডুয়া,  ড. বোরহান উদ্দিন খান, ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, ড. লায়লা নুর ইসলাম, ড. ইয়ারুল কবির, ড. মামুন আহমেদ, ড. আবদুল লতিফ মাসুম, ড. ওবায়দুল ইসলাম, ড. সামসুল আলম, ড. জাহিদুল ইসলাম, ড. কামাল আহমদ চৌধুরী, কবি হাসান হাফিজ, কবি আবু সালেহ, রেদোয়ান হোসেন, বাছির জামাল, একেএম মহসিন, মির আহমেদ মিরু, ড. লুৎফর রহমান, ড. তাসলিমা মানসুর, ড. মোরশেদ হাসান খান, ড. মো: মোজাম্মেল হক, ড. মাহফুজুল হক, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন, প্রফেসর শাহ হাবিবুর রহমান, প্রফেসর এম নজরুল ইসলাম, প্রফেসর আসমা সিদ্দিকা, ড. সৈয়দা আফরোজা মামুন, কৃষিবিদ আনোয়ারুন্নবী বাবলা, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, প্রফেসর মো: শহিদুর রহমান, প্রফেসর এনামুল হক, প্রকৌশলী কাজী মো: সুফিয়ান, ড. মোহসিন জিল্লুর করিম, প্রকৌশলী হারুন-অর রশিদ, প্রকৌশলী মমতাজ আহমেদ, প্রকৌশলী আল আমিন, প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম, কৃষিবিদ একরামুল হক, অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডী, রাশেদুল হাসান হারুন, চৌধুরী আবদল্লাহ আল ফারুক, অধ্যাপক শাহনাজ সরকার রানু, মোহাম্মদ মাফরুহি সাত্তার, প্রফেসর সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, প্রফেসর কে এম গোলাম মহিউদ্দিন, প্রফেসর আ ক ম আবদুল কাদের, প্রকৌশলী মো: মাহফুজ, প্রকৌশলী মো: মালেক, প্রকৌশলী কাজী মেজবাহ, প্রকৌশলী মোসলেহউদ্দিন, প্রকৌশলী আল আমিন, ডা. ইফতেখার লিটন, ডা. বেলায়েত হোসেন, ডা. আবদুল মোতালেব, ডা. জসিম উদ্দিন, ডা. বদিউল আলম, ডা. গোলাম মর্তুজা, ডা. আবুল কাশেম, অ্যাডভোকেট জহুরুল আলম, প্রকৌশলী মাসুদুল হক খান, প্রকৌশলী হাসান পারভেজ, প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, প্রকৌশলী মাসুম আহমেদ, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম, সামশুল হক হায়দরি, জাহিদুল করিম কচি, ইসকান্দার আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, ডা. মোহাম্মদ ঈসা, ড. মো. মিজান, প্রকৌশলী সাব্বির মোস্তফা খান, ডা. এ এ গোলাম মুর্তজা হারুন, ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, ডা. আশরাফুল কবীর ভূঁইয়া, ডা. মো. জসিম উদ্দিন, ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার আবু সুফিয়ান, মনির খান, রিজিয়া পারভীন, রফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, জাকির হোসেন, শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর, জুলফিকার হাসান, আব্দুল্লাহ যোবায়ের, সাইফ আহমদ, অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি 

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৬৪৩ বার

আপনার মন্তব্য