যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ২৩ মে, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 12:12am

|   লন্ডন - 07:12pm

|   নিউইয়র্ক - 02:12pm

  সর্বশেষ :

  পুলিৎজারজয়ী ঔপন্যাসিক ফিলিপ রোথ আর নেই   যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কার করল ভেনেজুয়েলা   মাদকবিরোধী অভিযানের নামে ক্রসফায়ার নিয়ে বিএনপির গভীর সংশয়   অস্ত্রসহ সুন্দরবনের ৫৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ   মন্ত্রীদের বেতন কমাচ্ছে মালয়েশিয়া   তামিলনাড়ুতে দূষণ বিরুধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৯   কথিত বন্দুকযুদ্ধ অব্যাহত, এবার নিহত ৭   চলে গেল মুক্তামনি   দ্বিতীয় বিয়ে বাধ্যতামূলক যেখানে   চীনে মসজিদে মসজিদে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর নির্দেশ   করাচিতে দাবদাহে হিট-স্ট্রোকে ৬৫ জনের মৃত্যু   যুদ্ধক্ষেত্রে সর্বাধুনিক এফ-৩৫ উড়িয়েছে ইসরায়েল   মিলানে ছাত্রলীগের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল   নিউজার্সিতে কুলাউড়া এসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত   তথাকথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এবার ৯ জেলায় নিহত ১২

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

যুদ্ধাপরাধ মামলা : নোয়াখালীর ৩ জনের ফাঁসি

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৩-১৩ ০২:৩১:২৭

নিউজ ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে নোয়াখালী জেলার সুধারাম এলাকার আমির আলীসহ তিনজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া একজনকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

সোমবার রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করেন একই বেঞ্চ। এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে রায় যেকোনো দিন ঘোষণা করা হবে মর্মে রায় অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি যুক্তিতর্ক শেষে এ মামলা সিএভি (রায়ের জন্য অপেক্ষমান) রাখা হয়।

২০১৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মামলার আসামি ওই চারজনের মধ্যে কারাগারে রয়েছেন আমির আহম্মেদ ওরফে রাজাকার আমির আলী, জয়নাল আবদিন ও আব্দুল কুদ্দুস। পলাতক রয়েছেন আবুল কালাম ওরফে এ কে এম মনসুর।

মামলার অন্য আসামি ইউসুফ আলী গ্রেফতার হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নোয়াখালীর সুধারামে ১১১ জনকে হত্যা-গণহত্যার তিনটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৬ সালের ২০ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ চারজনের বিচার শুরু হয়।

এর আগে ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর থেকে গত বছরের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এ মামলায় পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হেলালউদ্দিন। গত বছরের ৩১ আগস্ট তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে ওইদিনই প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেয় তদন্ত সংস্থা।

২০১৫ সালের ০৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানান প্রসিকিউটর জাহিদ ইমাম। ট্রাইব্যুনাল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে ওইদিনই নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেফতার হন আমির আহম্মেদ ওরফে রাজাকার আমির আলী, জয়নাল আবদিন ও ইউসুফ আলী। পরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রেফতার করা হয় আব্দুল কুদ্দুসকে।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি 

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৪৯৮ বার

আপনার মন্তব্য