যুক্তরাষ্ট্রে আজ শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 01:07pm

|   লন্ডন - 08:07am

|   নিউইয়র্ক - 03:07am

  সর্বশেষ :

  নিউইয়র্কে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভা   লন্ডনে বিক্ষোভের মুখে মোদি   কোটা সংস্কার আন্দোলন: ঢাবি ক্যাম্পাসজুড়ে ভীতি   কোচিং ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে পদত্যাগ করলেন ছাত্রলীগ নেতা রনি   খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে পারলেন না বিএনপি নেতারা   প্রবাসীদের ভোটাধিকার দিতে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে: সিইসি   ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়েছে শতাধিক বাড়িঘর   সৌদিতে সিনেমা হল উদ্বোধন   কিমের সঙ্গে আলোচনা সফল না হলে পদত্যাগ : আবেকে ট্রাম্প   টাইম ম্যাগাজিনের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা   বিশ্বের ৯৫ শতাংশ মানুষ দূষিত বায়ু গ্রহণ করছে   বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভারত   আরবদের বিরুদ্ধে আরবেদরই কাজে লাগাতে চাইছেন ট্রাম্প   বিসিবির চুক্তি থেকে বাদ সৌম্য-তাসকিন-সাব্বির   সৌদিতে আবার সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাত বাংলাদেশির মৃত্যু

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

গেজেটসহ ৫ দাবি করে কোটা সংস্কার আন্দোলন স্থগিত

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-১২ ০৬:৪৯:১২

নিউজ ডেস্ক: কোটা সংস্কারে চলমান আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় সংসদে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সে ব্যাপারে দ্রুত গেজেট প্রকাশ করে বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবি করে আন্দোলন স্থগিতের এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

১২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন এ কথা জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষাণা দিয়ে একটি আনন্দ মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা।

ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্য দাবিগুলো হলো-আন্দোলনে আটককৃতদের নিঃশর্ত মুক্তি, আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা, পুলিশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করা মামলা প্রত্যাহার এবং অন্দোলনে অংশ নেওয়া নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের হয়রানি না করা।

এ সময় কোনো ধরনের হয়রানি করলে আবার আন্দোলনে নামারও হুঁশিয়ারি দেন তারা। তাছাড়া তদের আন্দোলনের সঙ্গে যারা একাত্মতা প্রকাশ করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

এর আগে ১১ এপ্রিল বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পর আন্দোলনকারীরা জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করে তারা বৃহস্পতিবার তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানাবেন। এরপর ওই দিনের মতো কর্মসূচি শেষ করে টিএসসি এলাকা ত্যাগ করে হলে ফিরে যায় আন্দোলনকারীরা।

চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সংস্কারের দাবিতে ৮ এপ্রিল শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীদের হটানোর জন্য রাত ৮টার দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এরপর শুরু হয় দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এ ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় শাহবাগ ও টিএসসি এলাকা। আহত হন অনেকে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

৯ এপ্রিল, সোমবার বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। সে সময় সেতুমন্ত্রী তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে আগামী ৭ মে পর্যন্ত এ আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন কেন্দ্রীয় কমিটি। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একাংশ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এ অংশটি ১০ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আবার টিএসসির রাজু ভাস্কর্যে ফের অবস্থানের কর্মসূচি ঘোষণা করে সোমবার রাতে হলে ফিরে যান।

এরই অংশ হিসেবে ১০ এপ্রিল, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ করেন কয়েক হাজার শিক্ষার্থী।পরে বিকেলে বিভেদ ভুলে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে এই আন্দোলন চলবে জানানো হয়। বুধবারও একই দাবিতে বিক্ষোভ করেন তারা। পরে অান্দোলনকারীরা দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আন্দোলন চালানোর ঘোষণা দেন।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫৪৪ বার

আপনার মন্তব্য

সর্বাধিক পঠিত