যুক্তরাষ্ট্রে আজ বৃহস্পতিবার, ২১ Jun, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 10:40am

|   লন্ডন - 05:40am

|   নিউইয়র্ক - 12:40am

  সর্বশেষ :

  খালেদা জিয়ার কারামুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবীতে লস এঞ্জেলেসে আলোচনা ও মতবিনিময়   ভয়াবহভাবে ‘ভেঙে পড়েছে’ অ্যাসাঞ্জের স্বাস্থ্য, জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ কামনা   শেখ জামাল উদ্দিন আহমেদ-এর ২টি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ২৪ জুন   শাহানা কাজীর নতুন মিউজিক ভিডিও   গাজার ২৫টি সামরিক স্থাপনায় ইসরাইলের ৪৫ রকেট হামলা   উরুগুয়ের কাছে সৌদির হার   রোনালদোর গোলে পর্তুগালের জয়   রাজধানীতে এমপি পুত্রের গাড়ি চাপায় প্রাণ গেল পথচারীর!   চীনের কাছ থেকে জেট বিমান কিনছে বাংলাদেশ   ২০২০ সালের মধ্যে ৯৯ লাখ কর্মসংস্থান হবে : প্রধানমন্ত্রী   ‘বাংলাদেশ নিরাপদ নয়, কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি এই দেশ ছাড়ছি’   গাজা উপত্যকা যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে : জাতিসংঘ মহাসচিব   জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে বেরিয়ে গেলো যুক্তরাষ্ট্র   লস এঞ্জেলেসে বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপিত   ইতালির রোমে প্রবাসীদের প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

‘প্রধানমন্ত্রী হয়েও সুইচ বন্ধ করি’

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৪-১২ ০৭:০৩:০৩

নিউজ ডেস্ক: উৎপাদন ব্যয়ের চেয়ে কম মূল্যে বিদ্যুত সরবরাহ করা হয় জানিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, এতে দেশের উপকারের পাশাপাশি উপকৃত হবেন যারা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করছেন তারাও। কারণ, তাদের বিল কম আসবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি নিজেও কক্ষ থেকে বের হলে নিজের হাতে সুইচ বন্ধ করেন। নিজের কাজ নিজে করতে লজ্জার কিছু নেই।

বৃহস্পতিবার গণভবনে বসে ১২ জেলার ১৫টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন এবং কুষ্টিয়ার ভেড়ামাড়ায় ৪১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের উদ্যোগ এবং সাফল্য বর্ণনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ আমরা বিভিন্ন এলাকায় দিতে পাচ্ছি, এখন উদ্বোধন করছি। আমরা চাই জনগণ এই বিদ্যুৎটা যেন জনগণ যথাযথভাবে ব্যবহার করুক।’

‘অনুরোধ করব জনগণকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে অনেক টাকা খরচ হয়। যে টাকা খরচ হয়, আমরা কিন্তু ওই টাকা গ্রহণ করি না, এখানে ভর্তুকি দেই। কম টাকাই নেয়া হয়।’

‘এক ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে যে খরচ, তার থেকে অনেক কম টাকাই কিন্তু আপনাদের কাছ থেকে নেয়া হয়।’

‘সে ক্ষেত্রে আমি প্রত্যেককে আমি বলব, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। কীভাবে আপনি বিদ্যুৎ কম ব্যবহার করতে পারেন, কত স্বল্প বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আপনার চাহিদা পূরণ করতে পারেন, সে বিষয়ে আপনাকে যত্নবান হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি মাল দরিয়া মে ঢাল, এটা করলে কিন্তু চলবে না। প্রত্যেককে এ ব্যাপারে যথাযথভাবে আন্তরিক থাকতে হবে।’

‘ঘর থেকে বের হলে নিজ হাতে সুইটটা বন্ধ করা, স্কুল বা কলেজ বা অফিস আদালতে যারা আপনারা সরকারি কর্মচারী আছেন বা অফিসার আছেন নিজের হাতে সুইচটা বন্ধ করলে ফ্যানের, আপনার কোনো ক্ষতি হবে না। বরং আপনি আপনার দেশের সম্পদটা রক্ষা করলেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি নিজে প্রধানমন্ত্রী হয়েও কিন্তু আমি যখন ঘর থেকে বের হই বা বাথরুম থেকে বের হয়ে নিজের হাতে কিন্তু সুইট বন্ধ করি। তাতে আমার কোনো সম্মান যায় না।’

‘নিজের কাজ নিজে করাতে কোনো লজ্জা থাকে না। যে সুবিধাটা আপনি পাবেন, সেটা হলো নিজে যদি সাশ্রয়ী হোন, তাহলে বিলটা কম হবে। বিদ্যুৎ বিল আপনাকে কম দিতে হবে।’

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বেশ কিছু উপায়ও বাতলে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আপনারা যে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা টেলিভিশন চালান, লাল বাতিটা যদি জ্বলে থাকে তাহলে কিন্তু বিদ্যুতের বিল উঠে। যদি সুইটচা অফ করে দেই, আমার কিন্তু বিল উঠবে না।’

‘মোবাইল সেট চার্জ করে তারটা যদি সেভাবেই ফেলে রেখে দেই ওখানেও কিন্তু বিদ্যুতের বিল উঠবে। কিন্তু আমি যদি সুইট অফ করে দেই, তাহলে বিল উঠবে না।’

‘এই বিষয়গুলো কিন্তু বিশেষভাবে…যেমন স্কুল কলেজ, সেখানে ফ্যান চলতেই থাকল, চলতেই থাকল সেটা যেন না হয়। সেখানে ছাত্র ছাত্রী আছে, সেখানে কিন্তু তারা নিজেরাই বা শিক্ষকরা… ছাত্র ছাত্রীদেরকে শেখাতে হবে, বিদ্যুৎটা নিজেদেরকেই সাশ্রয় করতে হবে।’

‘বিদ্যুৎ, পানি, এগুলো নিজেদেরই সব সময় সাশ্রয়ী হতে হবে। অপচয় যেন না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দেবেন।’

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১২৮০ বার

আপনার মন্তব্য