যুক্তরাষ্ট্রে আজ শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 02:00am

|   লন্ডন - 09:00pm

|   নিউইয়র্ক - 04:00pm

ব্রেকিং নিউজ >>   আমি ইফতারে যাব : মমতা

  সর্বশেষ :

  সংবিধান সমুন্নত রাখতে জনগণের ঐক্য প্রয়োজন: ড. কামাল   আমি ইফতারে যাব : মমতা   ইফতারে যোগ দিয়ে চমকে দিলেন নেদারল্যান্ডসের রাজা   শেখ হাসিনার নির্দেশ উপেক্ষা করে দলের বিরুদ্ধে শাজাহান খান   মোদির জয়ের পরই ভারতে নারীসহ ৩ মুসলিমকে নির্যাতন   ইরানকে ঠেকাতে সৌদিকে অস্ত্র দিচ্ছেন ট্রাম্প   প্রথম মুসলিম প্রধানমন্ত্রী পেতে পারে ব্রিটেন!   এবারের বাজেট ৫ লাখ কোটি টাকার ওপরে: প্রধানমন্ত্রী   শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলায় নিহতদের স্মরণে সিডনিতে শোক   পদত্যাগ করছেন রাহুল গান্ধী   খালেদার মুক্তির সঙ্গে সংসদে যোগ দেয়ার সম্পর্ক নেই : ফখরুল   ভারতের নতুন সরকারের আমলে তিস্তা চুক্তি হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী   পশ্চিমবঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বিজেপি নেতা গুলিবিদ্ধ   পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন থেরেসা মে   মোদির গুজরাটে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৮

মূল পাতা   >>   স্বদেশ

অ্যান্ড্রয়েড ফোন কিনতে মন্ত্রী-সচিবরা পাচ্ছেন ৭৫ হাজার টাকা

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৫-২১ ১২:১৫:০৬

নিউজ ডেস্ক: সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সচিবেরা এখন থেকে মোবাইল ফোন কেনার জন্য ৭৫ হাজার টাকা করে পাবেন। এত দিন মোবাইল ফোন কেনার জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে তাঁরা ১৫ হাজার টাকা পেতেন। এ ছাড়া তাঁদের ফোন ব্যবহারের কোনো নির্ধারিত সীমা রাখা হচ্ছে না। যত খরচ হবে, তত টাকা সরকার থেকে দেওয়া হবে। এই সুবিধা রেখে সরকারি টেলিফোন, সেলুলার, সেট ও ইন্টারনেট নীতিমালা-২০১৮-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

আজ সোমবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ যেসব সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সার্বক্ষণিকভাবে মোবাইলের সুবিধা পান না, তাঁরা মোবাইল ফোন ব্যবহার ভাতা হিসেবে মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন। এত দিন তাঁরা ৬০০ টাকা করে পেতেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ২০০৪ সাল থেকেই এই নীতিমালাটা কার্যকর ছিল। এখন নীতিমালাটাকে যুগোপযোগী করা হলো। তবে মন্ত্রিসভায় কয়েকটি অনুশাসন দিয়েছে। এর মধ্যে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের বিষয়টিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার-প্রধানকে রোমিং সুবিধাসহ এখানে অন্তর্ভুক্ত করার অনুশাসন দিয়েছে।

মন্ত্রি পরিষদ সভায় হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট আইনের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনটি ১৯৭৭ সালে অধ্যাদেশ আকারে করা হয়েছিল। মূলত ১৯৭৭ সালের অধ্যাদেশকে আইন আকারে করা হচ্ছে।

এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৭৯৪ বার

আপনার মন্তব্য