যুক্তরাষ্ট্রে আজ রবিবার, ০৭ Jun, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 12:02pm

|   লন্ডন - 07:02am

|   নিউইয়র্ক - 02:02am

  সর্বশেষ :

  করোনায় একদিনে গেল আরও ৫৬ প্রাণ, আক্রান্ত ৬২ হাজার ৩৩৮   ঢাকায় করোনা আক্রান্ত সাড়ে ৭ লাখের বেশি: ইকোনমিস্ট   নাসিমের অবস্থা সংকটাপন্ন, ৫ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন   সিলেট সিটির সাবেক মেয়র কামরান করোনায় আক্রান্ত   দেশে প্রতি পাঁচজনের নমুনা পরীক্ষায় একজনের করোনা   ত্বক ফর্সা ক্রিমের বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি বর্ণবাদ বিরোধী পোস্ট, সমালোচনায় প্রিয়াঙ্কা   চট্টগ্রামে বিএসআরএম কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১, দগ্ধ ৪   বাংলাদেশের করোনা শনাক্ত নিয়ে সন্দেহ বিশেষজ্ঞদের   তাহলে কি ট্রাম্পকে ডুবাচ্ছে করোনা আর বর্ণবাদ   বিক্ষোভের মুখেই জার্মানি থেকে সেনা প্রত্যাহার করল ট্রাম্প   এবার বন্ধ হল পুলিশের হাঁটু দিয়ে গলা চেপে ধরা   ট্রাম্পের পেশীশক্তির জবাব দিলেন ওয়াশিংটন মেয়র   লস এঞ্জেলেস পুলিশ প্রধান মাইকেল মুরের পদত্যাগ দাবি   অনলাইন ক্লাশ করতে পারেন যেভাবে   যুক্তরাষ্ট্রে ১৫৪টিসহ মোট ২৬৯টি দোকান বন্ধ করবে ওয়ালমার্ট

মূল পাতা   >>   নিউইয়র্ক

করোনাভাইরাসে নিউইয়র্কে কমপক্ষে ১৫ বাংলাদেশীর মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-৩০ ১০:৫৯:৪৪

বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটস এলাকার কাছে এম্‌হার্স্ট হাসপাতাল - সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে নিউইয়র্ক স্টেট এবং বিশেষ করে নিউইয়র্ক শহর।

সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এক নিউইয়র্ক সিটিতেই মারা গেছে ৭৮০ জন, আক্রান্তের সংখ্যা কমপক্ষে ৩৪ হাজার।

সেফেস্ট নামে একটি সামাজিক সংগঠন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের নানা সংগঠনের বরাত দিয়ে নিউইয়র্কের সাংবাদিক লাভলু আনসার বিবিসি বাংলাকে বলেন, গত ১০ দিনে নিউইয়র্ক সিটিতে কমপক্ষে ১৫ জন প্রবাসী বাংলাদেশী মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন নারী।

এছাড়া, এক শ'রও বেশি বাংলাদেশী বিভিন্ন হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটস এলাকার কাছে এম্‌হার্স্ট নামে একটি হাসপাতালে গত সপ্তাহে এক দিনে ২৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে চারজন ছিলেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।

"হাসপাতালে বেড এবং ভেন্টিলেটর মেশিন না থাকায় অনেক রোগী অপেক্ষারত অবস্থাতে বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন।"

ঐ মৃত্যুর ঘটনায় গভীর ক্ষোভ এবং শোক প্রকাশ করেছেন নিউইয়র্ক রাজ্যের গভর্নর অ্যান্ড্রু ক্যুমো।

লাভলু আনসার বলছেন, এত মৃত্যুর ঘটনায় নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কম্যুনিটিতে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

কেন এত বাংলাদেশী মারা গেল?

লাভলু অনসার বলছেন, নিউইয়র্কের পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং শুধু বাংলাদেশি নয় নিউইয়র্কে অন্যান্য সব কম্যুনিটির লোকই মারা যাচ্ছে। তবে, তিনি বলেন, ১৯ মার্চ রাজ্যে লক-ডাউন ঘোষণার পর প্রথম দিকে বহু বাংলাদেশী তাকে তেমন গুরুত্ব দেননি।

"অনেক বাংলাদেশী তেমন গায়ে মাখেনি। জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকার বাংলাদেশী গ্রোসারিগুলোর বাইরে তাদের আড্ডা মারতে দেখা গেছে। একসাথে অনেক মানুষ দোকানে ঢুকে কেনাকাটা করেছেন। অনেকেই মাঝেই সচেতনতা কম ছিল অথবা বিপদ বুঝতে পারেননি।"

তিনি বলেন, "এখন দোকানগুলো একজনের বেশি লোক ঢোকাচ্ছে না। ডাক্তাররাও জানালা দিয়ে রোগীর সাথে কথা বলছেন।"

নিউইয়র্ক সিটি এবং আশপাশে কমবেশি তিনলক্ষ বাংলাদেশীর বসবাস। নিউইয়র্ক এবং নিউজার্সি - এই দুই রাজ্যে করোনাভাইরাসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। নিউইয়র্ক রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা রোববার ১,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৬০হাজার।

নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের এক হাজারেরও বেশি সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

সূত্র : বিবিসি

এলএবাংলাটাইমস/এম/এইচ/টি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ১৯৪ বার

আপনার মন্তব্য

সাম্প্রতিক খবর