যুক্তরাষ্ট্রে আজ বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

|   ঢাকা - 08:08am

|   লন্ডন - 02:08am

|   নিউইয়র্ক - 09:08pm

  সর্বশেষ :

  বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের দৃষ্টান্ত নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   সেনাপ্রধানসহ মিয়ানমারের ৪ কর্মকর্তার ওপর ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা   দিল্লির দূষণ নিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির অবাক করা বক্তব্য   নাগরিকত্ব বিলের প্রতিবাদে উত্তাল ত্রিপুরা, মোবাইল-ইন্টারনেট সেবা বন্ধ   নিউ জার্সিতে বন্দুকধারীর গুলিতে পুলিশসহ ৬ জন নিহত   সান দিয়াগোতে বিজয় মেলা আগামী শনিবার   প্রথম দিনের শুনানিতে আদালতে চুপচাপ সু চি   ভারতে ভিসার অতিরিক্ত সময় থাকলে বাংলাদেশি মুসলিমদের জরিমানা ২১০০০, হিন্দুদের ১০০   গণতান্ত্রিক দেশের তালিকায় নেই বাংলাদেশ   নো এনআরসি, নো ডিভাইড অ্যান্ড রুল: মমতা   ৩৮ আরোহী নিয়ে চিলির বিমান নিখোঁজ   ছাত্রদল সন্দেহে ২ শিক্ষার্থীকে হল থেকে বের করে দিল ছাত্রলীগ   নায়ক থেকে খলনায়ক সু চি   ‘সু চির জন্য দোয়া করতাম, তিনি আজ খুনিদের পক্ষে’   খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে সিএনএন ভবনের সামনে ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির বিক্ষোভ

মূল পাতা   >>   খেলাধুলা

ভারতের পত্রিকায় সাকিবের সমালোচনা

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৯-১০-৩০ ১১:৫৫:২১

নিউজ ডেস্ক:
দুর্দান্ত পারফরমার বললেও বোধহয় কম বলা হয়। ভারতের অনেকেই বলে থাকেন, বাংলাদেশের হয়ে না খেলে সাকিব যদি ভারতের হয়ে খেলতেন, তা হলে তার আরও সুখ্যাতি হতো। তার পারফরম্যান্স আরও নজরে পড়ত। ক্রিকেটার সাকিবের আড়ালে রয়েছে অন্য এক স্বত্তা। তিনি বিতর্কিত। একাধিক বার বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। আইসিসি-র বিচারে সম্প্রতি ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের সেই সব বিতর্কিত মুহূর্ত আরও একবার দেখে নেয়া যাক।

২০১৯ বিশ্বকাপের আগে দলের ফোটোসেশনে ছিলেন না সাকিব। বিশ্বকাপের স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে জার্সি উন্মোচনে উপস্থিত ছিলেন না সাকিব। দলের আনুষ্ঠানিক ফটোশুটেও তিনি গরহাজির ছিলেন। সাকিবের অনুপস্থিতি নিয়ে দেশে ঝড় বয়ে যায়।

সেই সময়ে বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার যে দেশের বাইরে ছিলেন এমনও নয়। বাংলাদেশেই ছিলেন বাঁ হাতি অলরাউন্ডার। তবুও তিনি দলের ফোটোসেশনে উপস্থিত থাকেননি।

ফোটোসেশন যে দিন হয়েছিল, তার আগের দিন আইপিএল খেলে দেশে ফিরেছিলেন সাকিব। সকালে মাঠেও এসেছিলেন। কিন্তু, ফোটোসেশনের ঘণ্টা খানেক আগে মিরপুর ছেড়ে চলে যান তিনি। বাংলাদেশের নতুন জার্সিতে কেন যে তিনি ফোটো তোলেননি তা থেকে যায় অজানাই। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন বিষয়টাকে ভাল ভাবে নেননি।

নিধাহাস ট্রফিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে সতীর্থদের মাঠ ছেড়ে চলে আসতে বলে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিলেন সাকিব। তখন তিনি ছিলেন দেশের অধিনায়ক। দ্বীপরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষের দিকে দারুণ উত্তেজক হয়ে ওঠে। শেষ ওভারে বাংলাদেশের জেতার জন্য দরকার ছিল ১২ রান। শেষমেশ বাংলাদেশ ম্যাচটা জিতলেও মেজাজ হারান সাকিব। মাঠ ছেড়ে চলে আসতে বলেছিলেন ব্যাটসম্যানদের।

শ্রীলঙ্কার ১৫৯ রান তাড়া করতে নামে বাংলাদেশ। জেতার জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ১২ রান। শেষ ওভারের প্রথম বলটি ছিল বাউন্সার। পরের বলটিও বাউন্সার। দ্বিতীয় বলে মুস্তাফিজ রান আউট হলেও দ্বিতীয় বাউন্সারের জন্য লেগ আম্পায়ার নো বল ডাকেন। কিন্তু, শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররা আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান। তাদের সম্মিলিত প্রতিবাদের মুখে আম্পায়ার নো-বলের সিদ্ধান্ত বদলে ফেলেন।

আম্পায়ারের এ হেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা প্রতিবাদ জানান। মাঠের বাইরে চতুর্থ আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কাতর্কি বাধে সাকিবের। ব্যাটসম্যানদের মাঠ ছেড়ে চলে আসতে বলেন তিনি। ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ থামান ব্যাটসম্যানদের। জেতার জন্য ৪ বলে তখন দরকার ১২ রান। মাহমুদুল্লাহ ছক্কা হাঁকিয়ে বাংলাদেশকে ফাইনালে তোলেন। টানটান উত্তেজনায় বাংলাদেশ ম্যাচ জিতলেও জরিমানা হয়েছিল সাকিবের।

প্রথম বার সাকিবকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ২০১৪ সালে। কুৎসিত অঙ্গভঙ্গি করায় জরিমানা হয়েছিল সাকিবের।

সে বার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন টেলিভিশন ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেছিলেন সাকিব। সেই ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছিল। বোর্ড প্রথম বার সাকিবকে ৩ ম্যাচ নিষিদ্ধ করে। বোর্ডের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি সাকিবকে বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছিল বোর্ডের ডিসিপ্লিনারি কমিটি।

সেই বছরই ফের শাস্তির মুখে পড়েছিলেন তিনি। বোর্ডের শৃঙ্খলাভঙ্গ ও আচরণগত সমস্যার অভিযোগে ২০১৪ সালের ৭ জুলাই ঘরোয়া এবং আন্তর্জাতিক সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ৬ মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সাকিবকে। পরবর্তী দেড় বছর দেশের বাইরে কোনো টুর্নামেন্টে খেলার জন্য সাকিবকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দেবে না বলে জানিয়েছিল বিসিবি। পরে অবশ্য তার আবেদনের প্রেক্ষিতে বোর্ড শাস্তি কমায়।

সম্প্রতি বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে নেমেছিলেন ক্রিকেটাররা। তার নেতৃত্বে ছিলেন সাকিব। ১১ দফা দাবি পেশ করেছিলেন ক্রিকেটাররা। তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, দাবি না মানা পর্যন্ত তারা খেলবেন না। বাংলাদেশের ক্রিকেটে এই ধরনের বিদ্রোহের ঘটনা ছিল নজিরবিহীন। পরে অবশ্য বোর্ড ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলে বরফ গলায়।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৩০৫ বার

আপনার মন্তব্য