যুক্তরাষ্ট্রে আজ মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 05:02am

|   লন্ডন - 12:02am

|   নিউইয়র্ক - 07:02pm

  সর্বশেষ :

  করোনাভাইরাস: সংক্রমণের নতুন ধাপে প্রবেশ করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র   ডিজেলের ফেলে দেয়া কালিই ঘটায় অ্যাপল ফায়ার   মাস্ক নিয়ে লঙ্কাকাণ্ড ম্যানহাটন বিচে   যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয়ধাপের বেকারভাতা সর্বোচ্চ ১২০০ ডলার   বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, হতাহত শতাধিক   মৃতের সংখ্যা কমলেও অর্থনীতি শিগগিরই চাঙ্গা হচ্ছে না ক্যালিফোর্নিয়ায়   স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করে পানশালায় পুলিশ অফিসারের পার্টি   দেশে বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৪৫ জনের মৃত্যু   চীনা ভ্যাকসিন পরীক্ষায় সন্তোষজনক হলে বাংলাদেশে ট্রায়াল   পুরো কাশ্মীরকে অন্তর্ভুক্ত করে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করল পাকিস্তান   বেভারলি ক্রেস্টে বন্দুক হামলায় নিহত ১, আহত ২   ৩০ বিলিয়ন ডলারে স্প্রিন্ট এবং টি মোবাইল একীভূত   ক্যালিফোর্নিয়ায় করোনা সংক্রমণ হ্রাসেও উদ্বেগ কমছে না   লস এঞ্জেলেসে দু সপ্তাহের মধ্যে খোলছে স্কুল   যুক্তরাষ্ট্রে চীনের সব সফটওয়্যার নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছেন ট্রাম্প

মূল পাতা   >>   খেলাধুলা

সামান্য দর্জি থেকে যেভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হয়ে ওঠেন ইউসুফ

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৫-১২ ০৫:৫৯:৩৬

নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের অন্যতম কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ ইউসুফ। পরিসংখ্যান বলছে, টেস্ট ক্রিকেটে সাড়ে সাত হাজারের বেশি (৭৫৩০) এবং ওয়ানডেতে সাড়ে ৯ হাজারের অধিক (৯৭২০) রান করেছেন তিনি। দুই সংস্করণ মিলিয়ে ৩৯ সেঞ্চুরি (টেস্টে ২৪, ওয়ানডেতে ১৫) করেছেন এ টপঅর্ডার। বেশ কিছু রেকর্ডও রয়েছে তার দখলে।

সর্বোপরি পাক ক্রিকেট ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে আছেন ইউসুফ। এখনও যেন ধ্রুবতারা হয়ে জ্বলছেন তিনি। কিন্তু তার প্রাথমিক জীবনটা এত সহজ ছিল না। বহু কাঠখড় পুড়িয়ে, অদম্য মনোবল আর ইচ্ছায়, চরম অধ্যবসায় এবং কঠোর পরিশ্রমের জোরে সাফল্য লাভ করেন এ ডানহাতি ব্যাটার।

১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরের একটি বস্তিতে জন্মগ্রহণ করেন ইউসুফ। খ্রিস্টান পরিবারে জন্ম হওয়ায় তার নাম রাখা হয় ইউসুফ ইউহানা। সেখানেই বেড়ে ওঠেন তিনি।

হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নেন ইউসুফ। স্বভাবতই কাঁচাঘরে তার শৈশবের লড়াই শুরু হয়। বাবা শৌচকর্মী ছিলেন। পরিবার চালানোর মতো খরচ জোগাড় করতে পারতেন না তিনি।

তাই অগত্যা দর্জির দোকানে কাজ শুরু করেন ইউসুফ। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেট ভালোবাসতেন তিনি। এটিই ছিল তার ধ্যানজ্ঞান। কিন্তু ব্যাট কেনার টাকা ছিল না তার। তাই নিজেই আয়-রোজগার করে ব্যাট কেনেন। অতঃপর টেনিস বলে খেলতে শুরু করেন।

পাড়া-মহল্লায় খেলতে খেলতেই চারদিকে সুনাম ছড়িয়ে পড়ে ইউসুফের। সৌভাগ্যবশত একদিন গোল্ডেন জিমখানা ক্লাবে খেলার সুযোগ পেয়ে যান তিনি। এর পর ক্লাবটির দলে খেলারও সুযোগ পান। এক ম্যাচে দলের বাকি সদস্যরা একরকম জোর করে তাকে মাঠে নামিয়ে দেন।

সে ম্যাচেই সেঞ্চুরি হাঁকান ইউসুফ। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী হয়েও পর্যায়ক্রমে পাকিস্তানের বিভিন্ন ঘরোয়া লিগে খেলার সুযোগ পেয়ে যান তিনি। একদিন সুযোগ পান জাতীয় দলেও।

দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শুরু থেকেই ভালো করেন ইউসুফ। ১৯৯৮ সালে অভিষেকের পর ধারাবাহিকতার বিমূর্ত প্রতীক ছিলেন তিনি। ২০০১ সালে ইসলামধর্ম গ্রহণ করেন ইনফর্ম ব্যাটার। মোহাম্মদ ইউসুফ নাম ধারণ করেন তিনি। এর পর তার ব্যাট যেন আরও ক্ষুরধার হয়ে ওঠে।

২০০৬ সালে টেস্টে ১৭৮৮ রান করেন ইউসুফ। প্রায় ১০০ গড়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে ব্যক্তিগতভাবে যা সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের রেকর্ড। এ রকম অসংখ্য রেকর্ড রয়েছে তার ঝুলিতে।

তবে ইউসুফের বিদায়টা ভালো ছিল না। অস্ট্রেলিয়া সফরে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ২০১০ সালের ১০ মার্চ তাকে সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করে পাকিস্তান বোর্ড (পিসিবি)। এর কয়েক দিন পরই মান-অভিমানে ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন তিনি। পরে পিসিবি ফেরানোর চেষ্টা করলেও প্রত্যাবর্তন করেননি।

এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/এস

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৩০৬ বার

আপনার মন্তব্য