যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ২০ অগাস্ট, ২০১৮ ইং

|   ঢাকা - 03:01pm

|   লন্ডন - 10:01am

|   নিউইয়র্ক - 05:01am

  সর্বশেষ :

  স্তন্যপান করিয়ে বিপন্ন শিশুকে বাঁচালেন আর্জেন্টিনার পুলিশ কর্মকর্তা   হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু   সরকার কোনো আন্দোলনকে দানা বেঁধে উঠতে দেবে না : এরশাদ   বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন প্রিয়াঙ্কা-নিক   ফিলিস্তিনিদের ঘরে ফেরার আন্দোলনে নিহত ১৬৬   প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ইমরান খান   ফাইনালে পারল না বাংলাদেশি মেয়েরা   মুক্তিযোদ্ধা ছাড়া সব কোটা বাতিল হচ্ছে : নাসিম   জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান আর নেই   সবচেয়ে বেশি আয় স্কারলেট জোহানসনের   শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার দাবি ড. কামালের   ছাত্র আন্দোলনে ‘গুজব’ ছড়ানোর অভিযোগে কফিশপের মালিক ফারিয়া রিমান্ডে   এবার ট্রাম্পের পুত্রবধূর বিরুদ্ধে অভিযোগ   যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন!   হ্যান্ডশেক না করা সেই সুইডিশ তরুণী মামলায় জিতলেন

মূল পাতা   >>   সিলেট

ওসমানী মেডিকেলে রোগীর নাতনিকে ধর্ষণ, ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০১৮-০৭-১৬ ১২:৪৮:১৩

নিউজ ডেস্ক: সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন এক রোগীর নাতনিকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৭ নং ওয়ার্ডের ডিউটি চিকিৎসকের কক্ষে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সোমবার হাসপাতাল থেকে ইন্টার্ন চিকিৎসক মাক্কাম আহমদ মাহিনকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি ময়মনসিংহ মুক্তাগাছার মীর মখলিছুর রহমানের ছেলে।

ভুক্তভোগীর বাবা বলেন, ‘গত ৯ জুলাই টনসিলের অস্ত্রোপচারের জন্য আমার শাশুড়িকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার ৮নং ওয়ার্ডের ১৪ নং বেডে ভর্তি করি। সেদিন থেকেই নবম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে তার নানির দেখাশোনার কাজ করছিল।’

তিনি বলেন, ‘রোববার রাতে শাশুড়ির গলায় অস্ত্রোপচার হয়। রাত দুইটার দিকে ডিউটি চিকিৎসক মাহিন কাগজপত্র নিয়ে আমার মেয়েকে তার কক্ষে যেতে বলেন। আমার মেয়ে কক্ষে গেলে তিনি দরজা লাগিয়ে ধর্ষণ করেন।’

ধর্ষিতার বাবার ভাষ্যে, রাতে অনেকবার ফোন করা হলেও মেয়ে ধরেনি। এক পর্যায়ে ডাক্তার মাহিন ফোন রিসিভ করেন। কিন্তু, মেয়ের বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি। এ অবস্থায় আমরা হাসপাতালে এসে তার রুমে মেয়েকে অচেতন অবস্থায় পাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে মেডিকেলে দায়িত্বরত পুলিশকে জানালে তারা ডাক্তার মাহিনকে ওই কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখেন। আর আমরা মেয়েকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেলের ওসিসি ওয়ার্ডে ভর্তি করি।’

বিষয়টি জানাজানি হলে সোমবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। পরে বেলা দুইটার দিকে একটি প্রাইভেটকারে করে হাসপাতালের পেছনের গেইট দিয়ে মাহিনকে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়।

এ সময় কোতোয়ালি থানার এসি সাদেক কাউসার দস্তগীর, ওসি মোশাররফ হোসেন সেখানে থাকলেও তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে চাননি।

কোতোয়ালি থানার ওসি মোশাররফ হোসেন পরিবর্তন ডটকমের কাছে তিনি ইন্টার্ন চিকিৎসক মাহিনকে আটকের কথা স্বীকার করেন।

তবে তিনি বলেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা করা হবে। মামলার পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান ওসি।

এলএবাংলাটাইমস/এস/এলআরটি

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৫২৩ বার

আপনার মন্তব্য