যুক্তরাষ্ট্রে আজ সোমবার, ০৬ Jul, ২০২০ ইং

|   ঢাকা - 03:46pm

|   লন্ডন - 10:46am

|   নিউইয়র্ক - 05:46am

  সর্বশেষ :

  রয়া চৌধুরীর কবিতা   বিশ্বখ্যাতদের এক ডজন বিচিত্র ঘটনা   দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় জুন মাসে ৩৬১ জনের মৃত্যু   আগামী উপনির্বাচনে যাচ্ছে না বিএনপি   দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ লাখ মানুষ   করোনার মধ্যেও শত শত মানুষের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন   রক্ত দান ও ফ্লাইওভারে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নিক্সন লাইব্রেরি   সাউথ লস এঞ্জেলেসে এ্যাম্বুলেন্স চুরির ঘটনায় আটক ১   করোনায় মারা গেলেন লস এঞ্জেলেস পুলিশ কর্মকর্তা   ভিন্নরকম আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস   বর্ষসেরা চিকিৎসক হয়ে যুক্তরাজ্যের বিলবোর্ডে বাংলাদেশি ফারজানা   দেশে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৯, শনাক্ত ৩২৮৮   অরেঞ্জ সিটির আন্তর্জাতিক স্ট্রিট ফেয়ার হচ্ছে না   ক্যালিফোর্নিয়া পালন করবে ব্যতিক্রমী স্বাধীনতা দিবস   ক্যালিফোর্নিয়ার নাগরিকদের করোনা ভীতি কমছে

মূল পাতা   >>   সিলেট

সম্প্রসারিত হচ্ছে ওসমানী বিমানবন্দর

নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ২০২০-০৩-১১ ০২:১৪:০০

নিউজ ডেস্ক: সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে দুই হাজার ১১৬ কোটি ৫১ লাখ টাকা। বেইজিং ভিত্তিক নির্মাতা সংস্থা বেইজিং আরবান কন্সট্রাকশন গ্রুপ লিমিটেড (বিইউসিজি) প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছে। সক্ষমতা যাচাইয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় পরিদর্শনের নিয়ম রয়েছে। তবে বর্তমানে চীনের বেইজিং করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকায় দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় পরিদর্শন না করেই কার্যাদেশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

ওসামানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশের তৃতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ১৯৯৮ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেট থেকে সরাসরি লন্ডনে ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে ওসমানী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরিত করেন। গত দুই দশকে এ বিমানবন্দরের যাত্রী হ্যান্ডলিং ক্যাপাসিটি বাড়ছে। ওসমানী বিমানবন্দরকে আধুনিক সুপরিসর বিমান তথা বোয়িং-৭৭৭ ধরনের বিমান চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য রানওয়ের শক্তি বৃদ্ধিকরণ সংক্রান্ত অপর একটি প্রকল্প ইতিমধ্যে শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একটি সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বর্ধিত যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিং চাহিদা মেটানোর জন্য প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন, কার্গো টার্মিনাল ভবন ইত্যাদিসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত সুবিধাদি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। ফিজিবিলিটি স্টাডিসহ প্রয়োজনীয় ড্রইং-ডিজাইন প্রণয়নের জন্য কোরিয়াভিত্তিক খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইয়োশিন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন  কোরিয়া)-হিরিম আর্কিটেকচার অ্যান্ড প্ল্যানার্স কোম্পানি লিমিটেড জেভি কে নিয়োগ করা হয়।  সম্ভাব্যতা সমীক্ষার প্রথম পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থাৎ ২০৩৯ সাল পর্যন্ত বিমানবন্দরের যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিং চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন, কার্গো টার্মিনাল ভবন, কন্ট্রোল টাওয়ার, বোর্ডিং ব্রিজ, পার্কিং অ‌্যাপ্রোন, টেক্সিওয়ে, কারপার্ক, সংযোগ সড়কসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় অবকাঠমো নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়। সে মোতাবেক জিওবি ও সিএএবির নিজস্ব অর্থায়নে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য দুই হাজার ৩০৯ কোটি ৭৯ রাখ ১৪ হাজার টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ‘ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর  সম্প্রাসরণ (প্রথম পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পের ডিপিপি ২০১৮ সালের ৭ নভেম্বর সরকার কর্তৃক অনুমোদিত হয়।

প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগের জন্য ইতিপূর্বে ২০১৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তারিখে দরপত্র আহ্বান করা হলে ৮টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র দাখিল হয় ও সিএএবির—দরপত্রসমূহের স্থায়ী দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি কর্তৃক মূল্যায়ন করা হয়। প্রাপ্ত দরপত্রসমূহের কোনটি দরপত্র তফসিলের সব চাহিদা পূরণ করতে না পারায় সব দরপত্র নন-রেসপন্সিভ বিবেচিত হয়। পরে ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হলে এতে মোট ১৯টি দরপত্রের মধ্যে নির্দিষ্ট সময়ে ৬টি দরপত্র পাওয়া যায়। দরপত্রগুলো ৩ সদস্য বিশিষ্ট কারিগরি সাব-কমিটি মূল্যায়ন করে ২০২০ সালের ২৫ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে ২৬ জানুয়ারি দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির বৈঠকে বেইজিং আরবান কন্সট্রাকশন গ্রুপ (বিইউসিজি) এবং এল অ্যান্ড টিএনডিই জেভি এর দরপত্র দুটি কারিগরিভাবে রেসপন্সিভ বিবেচিত হয় এবং বাকি ৪টি প্রতিষ্ঠানের দরপত্রগুলো নানা কারণে নন-রেসপন্সিভ হিসেবে বিবেচিত হয়।

এদিকে বিইউসিজির দরপত্র নন-রেসপন্সিভ ঘোষণা  দাবি করে একটি প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করে। আদালতের নির্দেশ আসা পর্যন্ত সব কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। পরবর্তীতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আপিলেট ডিভিশনের ফুল বেঞ্চ স্থগিতাদেশ দেয়। সেদিনই রেসপন্সিভ দুই প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রস্তাব খোলা হয়। এতে বেইজিং আরবান কন্সট্রাকশন গ্রুপ লিমিটেড দুই হাজার ১১৮ কোটি ৬৮ লাখ ৯২ হাজার ৫৭৮ টাকা এবং এল অ্যান্ড টিএনডিই জেভি দুই হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা দর উল্লেখ করে। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি সব বিষয় পর্যালোচনা করে বেইজিং আরবান কন্সট্রাকশন গ্রুপ লিমিটেডকে কার্যাদেশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

এই খবরটি মোট পড়া হয়েছে ৩২৭ বার

আপনার মন্তব্য