Updates :

        আলাস্কায় ভয়াবহ ভূমিধস: নিখোঁজ ছয়

        একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রে

        ক্যালিফোর্নিয়ায় বইছে গরম হাওয়া, বিচ্ছিন্ন হবে বিদ্যুৎ

        টিকা বিতরণে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র

        চীনা পণ্যের শুল্ক সহসা বাতিল হবে না: বাইডেন

        ইরানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে আমিরাত আক্রমণের হুমকি তেহরানের

        করোনার ভুয়া টিকা নিয়ে ইন্টারপোলে সতর্কতা জারি

        অনুমতি ছাড়া ঢাকায় কোন মিছিল-সমাবেশ করা যাবে না

        ইরানের বিজ্ঞানী হত্যাকাণ্ডে দায়ী ইসরায়েল: মার্কিন কর্মকর্তা

        এপ্রিলের পর আবারো সর্বোচ্চ মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে

        যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার হলে ১০ দিনের মধ্যে আদালতে তোলার নির্দেশ

        চাঁদে চীনের মহাকাশযানের সফল অবতরণ

        শুধু বিএনপি নয়, গোটা দেশই ভয়াবহ দুঃসময় পার করছে: ফখরুল

        ক্যালিফোর্নিয়ায় কর শিথিল, প্রণোদনা ৫০০ মিলিয়ন

        লস এঞ্জেলেসে চলছে 'সংকটপূর্ণ' সময়

        করোনাযোদ্ধাদের জন্য স্টারবাকসের ফ্রি কফি!

        পরিবেশ সংরক্ষণে নজর দিচ্ছেন বাইডেন

        ওমানে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই ভাইসহ তিন বাংলাদেশির মৃত্যু

        ম্যারাডোনার সমাধিতে চুরি: প্রহরায় সশস্ত্র পুলিশ

        নিরীহ আফগান নাগরিকদের হত্যার বিচার চাইল চীন

করোনা বিপর্যয়: একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড

করোনা বিপর্যয়: একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড

ছবি: এলএবাংলাটাইমস

যুক্তরাষ্ট্রে অব্যাহতভাবে বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। এবারে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক সংক্রমণের রেকর্ড হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশজুড়ে ৮০ হাজার বাসিন্দার দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে।

জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সূত্র মতে, যুক্তরাষ্ট্রে শুক্রবার দেশজুড়ে ৮০ হাজার বাসিন্দা সনাক্ত হয়েছে। করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যক আক্রান্তের রেকর্ড। এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ছিলো জুলাই এর ১৬ তারিখ ৭৭ হাজার ৩৬২ জন।

একদিনে আক্রান্তের সংখ্যার রেকর্ড হওয়ায় দেশটিতে করোনায় মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি সংখ্যার উপরেও প্রভাব ফেলবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটিতে সামনে আরো ভয়াবহ সময় অপেক্ষা করছে।

ইউএস সার্জন জেনারেল ড. জেরোমি এডামস জানান, দেশজুড়ে বিভিন্ন রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে ৭৫ শতাংশ। আর কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করবে। সাধারণত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কয়েক সপ্তাহ পর মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ে।

ড. জেরোমি এডামস আরো জানান, করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও দেশজুড়ে মৃতের হার কমেছে ৮৫ শতাংশ৷ রোগীদের উন্নত চিকিৎসা বিশেষকরে রেমডেসিভির এবং স্টেরোয়েড ব্যবহারের ফলে মৃত্যু হার কমে গেছে।

কোভিড ট্র‍্যাকিং সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৪১ হাজার বাসিন্দা করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি ছিলেন। আগস্টের ২০ তারিখের পর এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যক হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা। অক্টোবরের পর এই সংখ্যা বেড়েছে ৩৩ শতাংশ।

গত সাতদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। বৃহস্পতিবারের আগে গড় আক্রান্তের সংখ্যা ছিলো ৭৬৩ জন - যা চলতি মাসে সর্বোচ্চ।

এদিকে হোয়াইট হাউজ কর্তৃপক্ষ জানায়, করোনার সংক্রমণ বাড়ার বিষয়ে প্রশাসনের কাছে তথ্য রয়েছে। বিশেষকরে সান ব্যাল্ট এবং দেশটির মধ্যপশ্চিমাঞ্চলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে। এছাড়া হাসপাতালে রোগীর চাপ এবং মৃতের সংখ্যা বিষয়েই হোয়াইট হাউজে সুষ্পষ্ট তথ্য রয়েছে।

এদিকে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব এলার্জি এন্ড ইনফেকশাস ডিজিজের প্রধান ড. এন্থনী ফাউসি বাসিন্দাদের সতর্ক করে বলেন, দেশজুড়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে, এটি প্রতিরোধ না করলে কোনোভাবেই কমবে না। এজন্য নাগরিকদের প্রয়োজনে স্বাস্থ্যবিধি দ্বিগুণ কঠিনভাবে মেনে চলতে হবে৷ প্রয়োজনে এই বিষয়ে প্রশাসনের উচিত ফেডারেল ম্যান্ডেট ঘোষণা করা৷


এলএবাংলাটাইমস /ওএম

শেয়ার করুন