কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা রাশেদ খানকে গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানাতে রাজধানীর শাহবাগে জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীদের মারধর করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১ জুলাই, রবিবার বেলা তিনটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ছয়জনকে ছাত্রলীগ প্রকাশ্যে মারধর করে থানায় দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানান, শাহবাগ মোড়ে ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী এখনো অবস্থান নিয়ে অাছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী হিসেবে কাউকে সন্দেহ হলেই মারধর করা হচ্ছে। এমনকি মারধর করতে করতেই তাদের থানায় নিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
থানায় নিয়ে যাওয়াদের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসঅাই) মো. সুজন মিয়া প্রিয়.কমকে বলেন, ‘কয়েকজনকে থানায় অানা হয়েছে। ওসি স্যার বাইরে অাছেন। তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারবেন।’
এরপর একাধিকবার শাহবাগ থানার ওসি অাবুল হাসানের মোবাইলে কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মারধরকারী কয়েকজনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিছু বলতে রাজি হননি তারা।
এর আগে দুপুর ১২টার দিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্যতম নেতা রাশেদ খানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
৩০ জুন, শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর ও অন্যদের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।
সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, পুরোপুরি বাতিল নয়, কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে প্রচলিত ব্যবস্থায় ৫৬ শতাংশ আসনে কোটায় নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা। ১০ শতাংশ নারীদের জন্য, জেলাভিত্তিক ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্ধ রয়েছে ১ শতাংশ কোটা।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
১ জুলাই, রবিবার বেলা তিনটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ছয়জনকে ছাত্রলীগ প্রকাশ্যে মারধর করে থানায় দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা।
প্রত্যক্ষদর্শী একজন জানান, শাহবাগ মোড়ে ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী এখনো অবস্থান নিয়ে অাছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী হিসেবে কাউকে সন্দেহ হলেই মারধর করা হচ্ছে। এমনকি মারধর করতে করতেই তাদের থানায় নিয়ে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
থানায় নিয়ে যাওয়াদের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসঅাই) মো. সুজন মিয়া প্রিয়.কমকে বলেন, ‘কয়েকজনকে থানায় অানা হয়েছে। ওসি স্যার বাইরে অাছেন। তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারবেন।’
এরপর একাধিকবার শাহবাগ থানার ওসি অাবুল হাসানের মোবাইলে কল করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
মারধরকারী কয়েকজনের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিছু বলতে রাজি হননি তারা।
এর আগে দুপুর ১২টার দিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্যতম নেতা রাশেদ খানকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
৩০ জুন, শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক নুর ও অন্যদের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।
সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি, পুরোপুরি বাতিল নয়, কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।
বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে প্রচলিত ব্যবস্থায় ৫৬ শতাংশ আসনে কোটায় নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা। ১০ শতাংশ নারীদের জন্য, জেলাভিত্তিক ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ৫ শতাংশ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্ধ রয়েছে ১ শতাংশ কোটা।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি