বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে ‘আরাম আয়েশে থাকলেও’ মামলার তারিখ পড়লেই অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেন, আদালতের তারিখ চলে গেলেই তিনি ‘ভালো’ হয়ে যান।
সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেদ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা।
এ সময় রাজশাহীতে বিএনপির পথসভায় নিজেরা বোমা ফাটিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই দলটির সবই নাটক। নিজেরা অপকর্ম করে আওয়ামী লীগের ওপর তারা দোষ চাপায়, বিদেশে প্রচার চালায়।
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া জেলখানায় খায়-দায়-শুয়ে থাকে। আর যেই মামলার তারিখ আসে সে অসুস্থ হয়ে যায়। যখনি আদালত হাজিরার তারিখ পড়ে তখনি অসুস্থ হয়ে যায়।’
গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে কারাগারে বিএনপি প্রধান। তার দলীয় প্রধান অসুস্থ দাবি করে তাকে বেসরকারি হাসপাতাল ইউনাইটেডে নিয়ে যাওয়ার দাবি করছে তার দল।
এর মধ্যে এপ্রিলে বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে খালেদা জিয়ার তিনজন ব্যক্তিগত চিকিৎসক তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের কথা বলেন।
একজন চিকিৎসক বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী পক্ষাঘাতগ্রস্ত (প্যারালাইজড) হয়ে যেতে পারেন’। আরেকজন চিকিৎসক বলেন, ‘তিনি অন্ধ হয়ে যেতে পারেন।’ অন্য একজন চিকিৎসক বলেন, ‘তার প্রস্রাব-পায়খানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’
এরপর জুনের শুরুতে কারাগারে খালেদা জিয়াকে দেখে এসে একই চিকিৎসকরা বলেন, বিএনপি নেত্রীর মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা না হলে তার বড় ধরনের স্ট্রোক হতে পারে।
এরপর বিএনপি আবারও তাদের নেত্রীকে ইউনাইটেডে নিয়ে যাওয়ার দাবি করে। কিন্তু সরকার তাকে গত এপ্রিলের মতোই বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সেখানে আসেননি বিএনপি নেত্রী। এরপর সরকার তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু খালেদা জিয়া সেখানে যাননি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতে হাজিরা এড়াতে খালেদা জিয়া নাটুকেপনা করছেন। নাইকো দুর্নীতি মামলায় এফবিআই (যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত সংস্থা) বসে আছে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য। খালেদা জিয়া জানে যে কোর্ট গেলেই ধরা খাবে। তাই আদালতে হাজিরার তারিখ এলেই অসুস্থ হয়ে পড়ে আর হাজিরার তারিখ চলে গেলে আবার ভালো হয়ে যায়।’
কারাগার খালেদা জিয়া সব ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘কোনো কিছুর কমতি নেই খালেদা জিয়ার কারাগারে। যা যা চাচ্ছে তাই পাচ্ছে। এ রকম আয়েশ করতে তো আর কেউ পায়েস খেতে পারে নাই।’
‘সেও (খালেদা জিয়া) তো জেলে রেখেছিল আমাদের সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান জামালউদ্দীন সাহেবকে। দুইটা কম্বল দিয়ে ফেলে রেখেছিল। রওশন এরশাদ বা অন্যদের কথা না হয় নাই বললাম। আর উনি আয়েশ করে থাকেন আর কোর্টের তারিখ এলেই অসুস্থ হয়ে যান। তাহলে আমাদের কী করার আছে? এই যে নাটুকেপনা করা হচ্ছে এটাও একটা বিষয়।’
খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে দিতে বিএনপির দাবিও নাচক করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘এতিমের টাকা মেরে জেলে, আমাদের কাছে মুক্তির দাবি করে তো লাভ নই; আমরা তা জীবনেও ছাড়ত পারব না যতক্ষণ না কোর্ট অর্ডার দেবে। আমার বিচার বিভাগ সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন।’
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেদ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা।
এ সময় রাজশাহীতে বিএনপির পথসভায় নিজেরা বোমা ফাটিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই দলটির সবই নাটক। নিজেরা অপকর্ম করে আওয়ামী লীগের ওপর তারা দোষ চাপায়, বিদেশে প্রচার চালায়।
কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘খালেদা জিয়া জেলখানায় খায়-দায়-শুয়ে থাকে। আর যেই মামলার তারিখ আসে সে অসুস্থ হয়ে যায়। যখনি আদালত হাজিরার তারিখ পড়ে তখনি অসুস্থ হয়ে যায়।’
গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হওয়ার পর থেকে কারাগারে বিএনপি প্রধান। তার দলীয় প্রধান অসুস্থ দাবি করে তাকে বেসরকারি হাসপাতাল ইউনাইটেডে নিয়ে যাওয়ার দাবি করছে তার দল।
এর মধ্যে এপ্রিলে বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে খালেদা জিয়ার তিনজন ব্যক্তিগত চিকিৎসক তার স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের কথা বলেন।
একজন চিকিৎসক বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী পক্ষাঘাতগ্রস্ত (প্যারালাইজড) হয়ে যেতে পারেন’। আরেকজন চিকিৎসক বলেন, ‘তিনি অন্ধ হয়ে যেতে পারেন।’ অন্য একজন চিকিৎসক বলেন, ‘তার প্রস্রাব-পায়খানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।’
এরপর জুনের শুরুতে কারাগারে খালেদা জিয়াকে দেখে এসে একই চিকিৎসকরা বলেন, বিএনপি নেত্রীর মাইল্ড স্ট্রোক হয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা না হলে তার বড় ধরনের স্ট্রোক হতে পারে।
এরপর বিএনপি আবারও তাদের নেত্রীকে ইউনাইটেডে নিয়ে যাওয়ার দাবি করে। কিন্তু সরকার তাকে গত এপ্রিলের মতোই বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু সেখানে আসেননি বিএনপি নেত্রী। এরপর সরকার তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু খালেদা জিয়া সেখানে যাননি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতে হাজিরা এড়াতে খালেদা জিয়া নাটুকেপনা করছেন। নাইকো দুর্নীতি মামলায় এফবিআই (যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত সংস্থা) বসে আছে সাক্ষ্য দেয়ার জন্য। খালেদা জিয়া জানে যে কোর্ট গেলেই ধরা খাবে। তাই আদালতে হাজিরার তারিখ এলেই অসুস্থ হয়ে পড়ে আর হাজিরার তারিখ চলে গেলে আবার ভালো হয়ে যায়।’
কারাগার খালেদা জিয়া সব ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘কোনো কিছুর কমতি নেই খালেদা জিয়ার কারাগারে। যা যা চাচ্ছে তাই পাচ্ছে। এ রকম আয়েশ করতে তো আর কেউ পায়েস খেতে পারে নাই।’
‘সেও (খালেদা জিয়া) তো জেলে রেখেছিল আমাদের সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান জামালউদ্দীন সাহেবকে। দুইটা কম্বল দিয়ে ফেলে রেখেছিল। রওশন এরশাদ বা অন্যদের কথা না হয় নাই বললাম। আর উনি আয়েশ করে থাকেন আর কোর্টের তারিখ এলেই অসুস্থ হয়ে যান। তাহলে আমাদের কী করার আছে? এই যে নাটুকেপনা করা হচ্ছে এটাও একটা বিষয়।’
খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে দিতে বিএনপির দাবিও নাচক করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘এতিমের টাকা মেরে জেলে, আমাদের কাছে মুক্তির দাবি করে তো লাভ নই; আমরা তা জীবনেও ছাড়ত পারব না যতক্ষণ না কোর্ট অর্ডার দেবে। আমার বিচার বিভাগ সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন।’
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি