বাংলাদেশ

৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এইডসমুক্ত হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ এইডস মুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) ওসমানী মিলনায়তনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত বিশ্ব এইডস দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

আলোচনা সভায় তিনি জানান, ২০১৬ সালে নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭৮ জন, মারা গেছেন ১৪১ জন। এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ২২১ জন, মারা গেছেন ৭৯৯ জন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘বাঙালি সব সময় জয় করতে জানে। আমাদের প্রত্যয় আছে, আমরা জয় করব।’ একইসঙ্গে এইচআইভি প্রতিরোধে সামাজিক সচেতন হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এইডস থেকে মুক্ত থাকার জন্য সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। অনিরাপদ যৌন মিলনের কারণে এই রোগ হতে পারে। এছাড়া মাদকাসক্তদের কারণে এ রোগ বেশি ছড়ায়। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে প্রাণঘাতি এ রোগের প্রাদুর্ভাব কমে যাবে আলোচনা সভায় বক্তারা এসব তথ্য দেন। একইসঙ্গে তারা ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে এই রোগ হবে না বলেও উল্লেখ করেন।

ইউএনএইউডের বাংলাদেশে অফিস তুলে নেওয়ার আলোচনা প্রসঙ্গে সভাপতির বক্তেব্যেস্বাস্থ্যসচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে এইডস এর রোগি কমে যাওয়ার ফলে ইউএনএইউডের বাংলাদেশে অফিস গুটিয়ে নিবেন। এটা হবে মাঝ পথে বিসর্জন। এটা ঠিক হবে না। আমরা চাই তারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন। আমরা তাদের সহযোগিতা চাই।’

তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে এক সঙ্গে কাজ করলে ২০২০ সালের মধ্যে ৯০-৯০ সফলতা অর্জন করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে এইডস নির্মূল শুন্যের কোটায় নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারব।

আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যসচিব সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন, ইউএনএইডের অফিসার ইনচার্জ (বাংলাদেশ) সায়মা খান, জাতীয় এইডস/এসটিডি প্রোগ্রাম পরিচালক আনিসুর রহমান, এসটিআই/এআইডিএস নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের আবু ইউসুফ চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ, স্বাচিব নেতা ডা. ইকবাল আর্সনাল, এইডস রোগিদের সংগঠনের পিএলএইচআইভি নেটওয়ার্কের সভাপতি হাফিজ উদ্দিন মুন্না প্রমুখ।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি