বাংলাদেশ

নির্বাচন কমিশন গঠনে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করেছে সরকার

প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে নতুন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ দিতে সার্চ কমিটি করা হয়েছে।

ছয় সদস্য বিশিষ্ট সার্চ কমিটির প্রধান সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। গতবারের সার্চ কমিটিরও প্রধান ছিলেন তিনি।

কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মাসুদ আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শিরিন আখতার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) কমিটি গঠন করে আদেশ জারি করেছে। কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পেশ করতে বলা হয়েছে।

বর্তমান কমিশন গঠনে সার্চ কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল ৪ জন। নির্বাচন কমিশন গঠনে দ্বিতীয়বারের মতো সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই সার্চ কমিটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ দেবে।

একজন কমিশনার (মো. শাহ নেওয়াজের মেয়াদ শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি) বাদে বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য তিন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি।

নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য সার্চ কমিটি করতে গত বছর ১৮ ডিসেম্বর থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেন রাষ্ট্রপতি। সংলাপ শেষ হয় চলতি বছর ১৮ জানুয়ারি। এ সময়ে রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ ৩১টি দলের সঙ্গে সংলাপ করেন।

প্রায় প্রতিটি দলই নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের প্রস্তাব দেয়। তবে আইন না হওয়া পর্যন্ত সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে নতুন কমিশন গঠনের প্রস্তাবও দেয় দলগুলো।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন গঠনে ২০১২ সালের ২২ জানুয়ারি চার সদস্যবিশিষ্ট সার্চ কমিটি গঠন করা হয়। আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ওই কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারপতি, বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক এবং সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান।

তখন কমিটি ১০ কার্মদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পেশ করে।


এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি