আবারও বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। আগামী ডিসেম্বর থেকে ইউনিটপ্রতি বাড়তি ৩৫ পয়সা করে গুনতে হবে গ্রাহকদের। দাম বৃদ্ধির এ পরিমাণ পূর্বের তুলনায় প্রায় ৫.৩ শতাংশ বেশি। খুচরা পর্যায়ে দাম বাড়ানো হলেও পায়কারি পর্যায়ে বাড়ানো হয়নি।
২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারের বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভবনে এ সংবাদ সম্মেলনে দাম বৃদ্ধির এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত ছিলেন।
বিইআরসির চেয়ারম্যান মোনোয়ার ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণের খরচ বাড়ার কারণে খুচরা পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বর থেকে ইউনিট প্রতি (এক কিলোওয়াট ঘণ্টা) গড়ে ৩৫ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি গুনতে হবে গ্রাহকদের। তবে বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক) দাম বাড়ানো হয়নি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের ন্যূনতম চার্জ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু গ্যাসের দাম বাড়ার পর তা বিদ্যুতের সঙ্গে সমন্বয় করার কথা বলেছিলেন।
যার পরিপ্রেক্ষিতে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গত সেপ্টেম্বরে বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে একটি গণশুনানির আয়োজন করেছিল। সেখানে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে পাইকারিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ৬ থেকে সাড়ে ১৪ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব জানানো হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিদ্যুতের দাম গড়ে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বাড়িয়েছিল সরকার।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
২৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজারের বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভবনে এ সংবাদ সম্মেলনে দাম বৃদ্ধির এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনের উপস্থিত ছিলেন।
বিইআরসির চেয়ারম্যান মোনোয়ার ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎ বিতরণের খরচ বাড়ার কারণে খুচরা পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বর থেকে ইউনিট প্রতি (এক কিলোওয়াট ঘণ্টা) গড়ে ৩৫ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি গুনতে হবে গ্রাহকদের। তবে বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক) দাম বাড়ানো হয়নি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে ৫০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের ন্যূনতম চার্জ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এর আগে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু গ্যাসের দাম বাড়ার পর তা বিদ্যুতের সঙ্গে সমন্বয় করার কথা বলেছিলেন।
যার পরিপ্রেক্ষিতে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন গত সেপ্টেম্বরে বিতরণ কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব যাচাই-বাছাই করে একটি গণশুনানির আয়োজন করেছিল। সেখানে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে পাইকারিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম প্রায় ১৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে ৬ থেকে সাড়ে ১৪ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব জানানো হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিদ্যুতের দাম গড়ে ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বাড়িয়েছিল সরকার।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি