জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট র্দুর্নীতির মামলায় কারাগারে থাকা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় জামিনের মেয়াদ আগামী ১৩ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছেন আদালত।
সোমবার পুরান ঢাকার বকশিবাজারস্থ অস্থায়ী আদালতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
একই সঙ্গে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ওই সময়ের মধ্যে প্রাক্তন এ প্রধানমন্ত্রীর জামিন না হলে এ মামলায় তাকে ১৪ মার্চ আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা (প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট) ইস্যু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিচারক।
বেলা সোয়া ১১টায় বিচারক মামলার কার্যক্রম শুরু করেন। এদিন দুদকের প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা ইস্যুর আবেদন করেন। একই সঙ্গে আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক শুনানি শুরুর জন্য আবেদন করেন।
ওই সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান বলেন, যেহেতু খালেদা জিয়া অরফানেজ মামলায় কারাগারে রয়েছেন। যা বিজ্ঞ আদালতের নোটিশে এসেছে। তাই তার অবর্তমানে যুক্তিতর্ক শুনানির সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা আইনজীবীর সমিতি নির্বাচন। আগামী ১ মার্চ উচ্চ আদালতে এক অনুষ্ঠান আছে। এদিকে নিম্ন আদালতে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের কপি তলব করেছেন উচ্চ আদালত। এর সময় আগামী ৭ মার্চ শেষ হবে। এদিন জামিনের বিষয়ে উচ্চ আদালত রায় দেবেন। আর আমরা আশা করছি আগামী ৭ মার্চের মধ্যে খালেদা জিয়া হাইকোর্ট থেকে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন পেয়ে যাবেন। তাই এখন যদি এই মামলায় হাজতি পরোয়ানা ইস্যু করা হয় তবে তার মুক্তি বিলম্বিত হবে। আমাদের অনুরোধ, হাজিরা পরোয়ানা ইস্যুর আবেদনটি আগামী ধার্য তারিখ পর্যন্ত মুলতবি রাখা হোক।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক আগামী ১৩ ও ১৪ মার্চ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে ১৩ মার্চ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করে ওইদিন হাজতি পরোয়ানার বিষয়ে আদেশের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুদকের পক্ষে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা ইস্যুর আবেদন করেন। গত রোববার ওই আবেদনের ওপর শুনানি হয়। ওই দিন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা একই ভাবে বিরোধীতা করায় গতকাল সোমবার শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত থাকা অবস্থায় ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন আদালত। একই বিচারক গত ৮ ফেব্রুয়ারি অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদ-াদেশ দেন একং তাকে কারাগারে পাঠান।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।
মামলাটিতে বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রাক্তন মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।
মামলাটিতে খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
সোমবার পুরান ঢাকার বকশিবাজারস্থ অস্থায়ী আদালতে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
একই সঙ্গে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ওই সময়ের মধ্যে প্রাক্তন এ প্রধানমন্ত্রীর জামিন না হলে এ মামলায় তাকে ১৪ মার্চ আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা (প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট) ইস্যু করা হবে বলে জানিয়েছেন বিচারক।
বেলা সোয়া ১১টায় বিচারক মামলার কার্যক্রম শুরু করেন। এদিন দুদকের প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা ইস্যুর আবেদন করেন। একই সঙ্গে আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক শুনানি শুরুর জন্য আবেদন করেন।
ওই সময় খালেদা জিয়ার আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান বলেন, যেহেতু খালেদা জিয়া অরফানেজ মামলায় কারাগারে রয়েছেন। যা বিজ্ঞ আদালতের নোটিশে এসেছে। তাই তার অবর্তমানে যুক্তিতর্ক শুনানির সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা আইনজীবীর সমিতি নির্বাচন। আগামী ১ মার্চ উচ্চ আদালতে এক অনুষ্ঠান আছে। এদিকে নিম্ন আদালতে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের কপি তলব করেছেন উচ্চ আদালত। এর সময় আগামী ৭ মার্চ শেষ হবে। এদিন জামিনের বিষয়ে উচ্চ আদালত রায় দেবেন। আর আমরা আশা করছি আগামী ৭ মার্চের মধ্যে খালেদা জিয়া হাইকোর্ট থেকে অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় জামিন পেয়ে যাবেন। তাই এখন যদি এই মামলায় হাজতি পরোয়ানা ইস্যু করা হয় তবে তার মুক্তি বিলম্বিত হবে। আমাদের অনুরোধ, হাজিরা পরোয়ানা ইস্যুর আবেদনটি আগামী ধার্য তারিখ পর্যন্ত মুলতবি রাখা হোক।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক আগামী ১৩ ও ১৪ মার্চ মামলার পরবর্তী দিন ধার্য করেন। একই সঙ্গে ১৩ মার্চ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধি করে ওইদিন হাজতি পরোয়ানার বিষয়ে আদেশের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি দুদকের পক্ষে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে হাজিরা পরোয়ানা ইস্যুর আবেদন করেন। গত রোববার ওই আবেদনের ওপর শুনানি হয়। ওই দিন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা একই ভাবে বিরোধীতা করায় গতকাল সোমবার শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
উল্লেখ্য, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত থাকা অবস্থায় ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন আদালত। একই বিচারক গত ৮ ফেব্রুয়ারি অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছর কারাদ-াদেশ দেন একং তাকে কারাগারে পাঠান।
প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।
মামলাটিতে বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরী এবং তার তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রাক্তন মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান আসামি।
মামলাটিতে খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি