ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশে ৩৭৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৩ নারী ও ৪৮ শিশুসহ ৪১৩ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৪৬ নারী ও ১৯ শিশুসহ ৯৯৫ জন। এছাড়া রেল দুর্ঘটনায় মোট ২২ জন নিহত ও এক নারীসহ ৮০ জন আহত হয়। নৌ দুর্ঘটনায় সাতজনের প্রাণহানি ঘটে এবং আহত হয় সাতজন। অর্থাৎ সড়ক, রেল ও নৌপথে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৬ জন নিহত হয়। আর গড়ে প্রতিদিন আহত হয় প্রায় ৩৮ জন। এ মাসে প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটেছে গড়ে প্রায় ১৩টি।
বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির (এনসিপিএসআরআর) নিয়মিত মাসিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ২২টি বাংলা ও ইংরেজি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
জাতীয় কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর অধিকাংশই ঘটেছে বাস ও ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের ভারী যানবাহনের চালকদের অসতর্কতা ও খামখেয়ালিপনার কারণে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর যথাযথ নজরদারির অভাব রয়েছে। এছাড়া সড়ক ও মহাসড়কে ক্ষুদ্র যানবাহনের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি, সব টার্মিনালসহ বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজি, শ্রমিক অসন্তোষসহ সড়ক পরিবহন খাতে বিরাজমান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিও দুর্ঘটনা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
এছাড়া অনেক স্থানে রেলক্রসিংয়ে যথাযথ তদারকি ও নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বিভিন্ন রেলপথে দুর্ঘটনার জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করা হয়। একইভাবে নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা নৌপরিবহন অধিদফতর ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) গৃহীত পদক্ষেপগুলো পর্যাপ্ত নয় বলে জাতীয় কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
বেসরকারি সংগঠন নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির (এনসিপিএসআরআর) নিয়মিত মাসিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংগঠনটি তাদের প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ২২টি বাংলা ও ইংরেজি জাতীয় দৈনিক, ১০টি আঞ্চলিক সংবাদপত্র এবং আটটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদ সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান তৈরি করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
জাতীয় কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর অধিকাংশই ঘটেছে বাস ও ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের ভারী যানবাহনের চালকদের অসতর্কতা ও খামখেয়ালিপনার কারণে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর যথাযথ নজরদারির অভাব রয়েছে। এছাড়া সড়ক ও মহাসড়কে ক্ষুদ্র যানবাহনের সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি, সব টার্মিনালসহ বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদাবাজি, শ্রমিক অসন্তোষসহ সড়ক পরিবহন খাতে বিরাজমান বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিও দুর্ঘটনা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
এছাড়া অনেক স্থানে রেলক্রসিংয়ে যথাযথ তদারকি ও নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে উল্লেখ করে পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে বিভিন্ন রেলপথে দুর্ঘটনার জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও দায়িত্বহীনতাকে দায়ী করা হয়। একইভাবে নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা নৌপরিবহন অধিদফতর ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) গৃহীত পদক্ষেপগুলো পর্যাপ্ত নয় বলে জাতীয় কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি