বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলে ভর করে বাড়ছে রেমিটেন্স। ফেব্রুয়ারি মাস ২৮ দিন হলেও এ মাসে রেমিটেন্স এসেছে প্রায় ১১৫ কোটি ডলার। গত বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় ২২ দশমিক ১৪ শতাংশ বেশি।
তবে প্রবাসী আয়ের এই অংক ৩১ দিনে শেষ হওয়া জানুয়ারি থেকে ২৩ কোটি ডলার কম।
এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) হিসাবে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বেড়েছে ১৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
এই আট মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ৯৪৬ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের থেকে যা প্রায় ১৩৪ কোটি ডলার বেশি।
দেশের রেমিটেন্সের অর্ধেকের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। তেল সমৃদ্ধ এসব দেশের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইন।
বিদেশে বাংলাদেশের জনশক্তির বড় অংশই আছে এই তেল সমৃদ্ধ দেশগুলোতে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত এক বছরে তেলের বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বেশি অর্থ পাঠাতে পারছেন প্রবাসীরা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগও কাজে দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, রেমিটেন্স বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অপব্যবহার করে হুন্ডি তৎপরতা রোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থান। অর্থবছর শেষে রেমিটেন্স প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জ্বালানী তেলের দাম কমে যাওয়ার দরুন সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, ওমান বা কুয়েতের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এর প্রভাবে এক বছর আগে প্রবাসী আয় কমার পেছনে কারণ দেখাচ্ছিলেন অর্থনীতিবিদরা।
কিন্তু বর্তমান বাজারে দেখা যায়, অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এখন ৬৩ থেকে ৬৭ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। এক বছর আগেও যা ছিল ৪০ থেকে ৫০ ডলারের মধ্যে।
তবে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রা বলছে, বাংলাদেশে থেকে যেসব শ্রমিক বিদেশে যাচ্ছেন, তার অর্ধেকেরও বেশি অদক্ষ। প্রশিক্ষণের আধুনিক সুবিধা ও পর্যাপ্ত ট্রেনিং সেন্টার না থাকার কারণেই বিদেশে পাঠানোর মতো দক্ষ শ্রমিক তৈরি হচ্ছে না বাংলাদেশে। দক্ষ শ্রমিক বিদেশের পাঠানো বাড়ানো গেলে রেমিটেন্সে আরও গতি আসবে।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, এটা অবশ্য দেশের জন্য সুখবর। এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি। তবে তার জন্য অবশ্যই সরকারকে দক্ষ জনশক্তি বাড়াতে আরও উদ্যোগ নিতে হবে।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
তবে প্রবাসী আয়ের এই অংক ৩১ দিনে শেষ হওয়া জানুয়ারি থেকে ২৩ কোটি ডলার কম।
এ নিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) হিসাবে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বেড়েছে ১৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
এই আট মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ৯৪৬ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের থেকে যা প্রায় ১৩৪ কোটি ডলার বেশি।
দেশের রেমিটেন্সের অর্ধেকের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। তেল সমৃদ্ধ এসব দেশের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত ও বাহরাইন।
বিদেশে বাংলাদেশের জনশক্তির বড় অংশই আছে এই তেল সমৃদ্ধ দেশগুলোতে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত এক বছরে তেলের বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বেশি অর্থ পাঠাতে পারছেন প্রবাসীরা। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগও কাজে দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, রেমিটেন্স বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অপব্যবহার করে হুন্ডি তৎপরতা রোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থান। অর্থবছর শেষে রেমিটেন্স প্রবৃদ্ধি ১৬ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
জ্বালানী তেলের দাম কমে যাওয়ার দরুন সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, ওমান বা কুয়েতের মতো উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এর প্রভাবে এক বছর আগে প্রবাসী আয় কমার পেছনে কারণ দেখাচ্ছিলেন অর্থনীতিবিদরা।
কিন্তু বর্তমান বাজারে দেখা যায়, অপরিশোধিত জ্বালানি তেল এখন ৬৩ থেকে ৬৭ ডলারে বিক্রি হচ্ছে। এক বছর আগেও যা ছিল ৪০ থেকে ৫০ ডলারের মধ্যে।
তবে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রা বলছে, বাংলাদেশে থেকে যেসব শ্রমিক বিদেশে যাচ্ছেন, তার অর্ধেকেরও বেশি অদক্ষ। প্রশিক্ষণের আধুনিক সুবিধা ও পর্যাপ্ত ট্রেনিং সেন্টার না থাকার কারণেই বিদেশে পাঠানোর মতো দক্ষ শ্রমিক তৈরি হচ্ছে না বাংলাদেশে। দক্ষ শ্রমিক বিদেশের পাঠানো বাড়ানো গেলে রেমিটেন্সে আরও গতি আসবে।
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, এটা অবশ্য দেশের জন্য সুখবর। এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি। তবে তার জন্য অবশ্যই সরকারকে দক্ষ জনশক্তি বাড়াতে আরও উদ্যোগ নিতে হবে।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি