স্বাধীনতা। এ এক আবেগের নাম। মুক্তির অবারিত আনন্দ। শিকল ভাঙার আনন্দটাই অন্যরকম। যে শিকল আমরা ভেঙেছিলাম একাত্তরে। যখন মুছেছিলো পরাধীনতার গ্লানি। সেই গৌরবের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বিশ্বের বুকে লাল-সবুজের পতাকা সমুন্নত করার দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঘোষিত হয়েছিলো আমাদের মহান স্বাধীনতা। আত্মত্যাগ আর দেশপ্রেমের অতুলনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে একাত্তরের এই দিনে যে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এ দেশের আপামর জনসাধারণ, দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে বিজয় অর্জন তার চূড়ান্ত পরিণতি। বছর ঘুরে আবার এলো মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সেই স্মরণীয় দিন।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাত ছিলো ইতিহাসের এক বিভীষিকাময় অধ্যায়। পাক হানাদারদের গণহত্যা দেশের আকাশকে করে তুলেছিলো ভয়ঙ্কর। ইতিহাসের নির্মম এই গণহত্যা জাগিয়ে তুলল মুক্তিকামী মানুষদের। গড়ে উঠলো প্রতিরোধ। মরণপণ সশস্ত্র লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে বীরের জাতি।
১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বাংলার মানুষের ভোটে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকে। শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আলোচনার আড়ালে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে পাকিস্তানের সামরিক জান্তা। এমনই এক প্রেক্ষাপটে ২৫ মার্চ রাতে পাক হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ সারাদেশে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ইতিহাসের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। মধ্যরাতেই অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইপিআরের ওয়্যারলেসে স্বাধীনতার ডাক দেন। ইংরেজিতে ঘোষণা করা সেই স্বাধীনতা ঘোষণার বাংলা অনুবাদ হলো, ‘এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণ তোমরা যে যেখানেই আছ এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শেষ পর্যন্ত দখলদার সৈন্য বাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য আমি তোমাদের আহ্বান জানাচ্ছি। চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।’ এর আগে ৭ই মার্চে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) উত্তাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ ঘোষণা দিয়ে গোটা জাতিকে স্বাধীনতার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধ শেষে চূড়ান্ত বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় এই দিবসটি নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হবে দেশ-বিদেশে। সরকারি-বেসরকারি নানা অনুষ্ঠান থাকবে দিনটি ঘিরে। সব ভবনে উড়বে জাতীয় পতাকা। সকালে ফুলে ফুলে ভরে উঠবে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহিদমিনারগুলো। মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে দলমত নির্বিশেষে সেখানে হাজির হবে হাজার হাজার মানুষ। বাংলাদেশে দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের রাত ছিলো ইতিহাসের এক বিভীষিকাময় অধ্যায়। পাক হানাদারদের গণহত্যা দেশের আকাশকে করে তুলেছিলো ভয়ঙ্কর। ইতিহাসের নির্মম এই গণহত্যা জাগিয়ে তুলল মুক্তিকামী মানুষদের। গড়ে উঠলো প্রতিরোধ। মরণপণ সশস্ত্র লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে বীরের জাতি।
১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে বাংলার মানুষের ভোটে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকে। শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে আলোচনার আড়ালে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে পাকিস্তানের সামরিক জান্তা। এমনই এক প্রেক্ষাপটে ২৫ মার্চ রাতে পাক হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ সারাদেশে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ইতিহাসের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। মধ্যরাতেই অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইপিআরের ওয়্যারলেসে স্বাধীনতার ডাক দেন। ইংরেজিতে ঘোষণা করা সেই স্বাধীনতা ঘোষণার বাংলা অনুবাদ হলো, ‘এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণ তোমরা যে যেখানেই আছ এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শেষ পর্যন্ত দখলদার সৈন্য বাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য আমি তোমাদের আহ্বান জানাচ্ছি। চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।’ এর আগে ৭ই মার্চে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) উত্তাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ ঘোষণা দিয়ে গোটা জাতিকে স্বাধীনতার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ ৯ মাসের যুদ্ধ শেষে চূড়ান্ত বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় এই দিবসটি নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হবে দেশ-বিদেশে। সরকারি-বেসরকারি নানা অনুষ্ঠান থাকবে দিনটি ঘিরে। সব ভবনে উড়বে জাতীয় পতাকা। সকালে ফুলে ফুলে ভরে উঠবে জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও শহিদমিনারগুলো। মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে দলমত নির্বিশেষে সেখানে হাজির হবে হাজার হাজার মানুষ। বাংলাদেশে দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি