নেপালে ইউএস-বাংলা বিমান দুর্ঘটনায় আহত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
শেখ রুবাইয়াত আহমেদ, মেহেদী হাসান ও কামরুন্নাহার স্বর্ণার শারীরিক অবস্থা অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় বুধবার বিকেলে তাদের বাড়ি যাওয়ার ছাড়পত্র দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শেখ রুবাইয়াত বিকেল সাড়ে ৩টায় হাসপাতাল ছেড়ে তার ধানমন্ডির বাসায় যান। এ ছাড়া বিকেল সাড়ে ৪টায় মেহেদী হাসান ও কামরুন্নাহার স্বর্ণা গাজীপুরের শ্রীপুরের উদ্দেশে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের অবস্থা এখন অনেক ভালো। মোটামুটি তাদের সুস্থ বলা যায়। তাই তাদের ছাড়পত্র দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তাদের কোনো সমস্যা হলে হাসপাতালে এসে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ বা ফলো-আপ করাতে পারবেন। একই দুর্ঘটনায় আহত আলমুন নাহার এ্যানি ট্রামায় ভুগছেন এবং শেহরিনের পিঠের অস্ত্রোপচার করায় তাদেরকে এখনি ছেড়ে দেওয়া যাচ্ছে না।’
গত ১২ মার্চ ইউএস-বাংলা বিমানের একটি ফ্লাইট ক্রুসহ ৭১ জন যাত্রী নিয়ে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হলে ৫২ জন নিহত হন। এদের মধ্যে বিমানের পাইলট ও কো-পাইলটসহ বাংলাদেশি ২৬ জন ছিলেন। সর্বশেষ ওই দুর্ঘটনায় আহত ১০ বাংলাদেশিদের মধ্যে শাহীন ব্যাপারী ঢামেক হাসপাতালে মারা যান।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
শেখ রুবাইয়াত আহমেদ, মেহেদী হাসান ও কামরুন্নাহার স্বর্ণার শারীরিক অবস্থা অনেকটা স্বাভাবিক হওয়ায় বুধবার বিকেলে তাদের বাড়ি যাওয়ার ছাড়পত্র দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শেখ রুবাইয়াত বিকেল সাড়ে ৩টায় হাসপাতাল ছেড়ে তার ধানমন্ডির বাসায় যান। এ ছাড়া বিকেল সাড়ে ৪টায় মেহেদী হাসান ও কামরুন্নাহার স্বর্ণা গাজীপুরের শ্রীপুরের উদ্দেশে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘তাদের অবস্থা এখন অনেক ভালো। মোটামুটি তাদের সুস্থ বলা যায়। তাই তাদের ছাড়পত্র দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘তাদের কোনো সমস্যা হলে হাসপাতালে এসে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ বা ফলো-আপ করাতে পারবেন। একই দুর্ঘটনায় আহত আলমুন নাহার এ্যানি ট্রামায় ভুগছেন এবং শেহরিনের পিঠের অস্ত্রোপচার করায় তাদেরকে এখনি ছেড়ে দেওয়া যাচ্ছে না।’
গত ১২ মার্চ ইউএস-বাংলা বিমানের একটি ফ্লাইট ক্রুসহ ৭১ জন যাত্রী নিয়ে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হলে ৫২ জন নিহত হন। এদের মধ্যে বিমানের পাইলট ও কো-পাইলটসহ বাংলাদেশি ২৬ জন ছিলেন। সর্বশেষ ওই দুর্ঘটনায় আহত ১০ বাংলাদেশিদের মধ্যে শাহীন ব্যাপারী ঢামেক হাসপাতালে মারা যান।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি