বিশ্বে সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহরের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা বলছে, বিশ্বের মেগাসিটির শহরগুলোর সবচেয়ে দূষিত বায়ুর তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি।
বিশ্বের যে শহরগুলোতে এক কোটি ৪০ লাখ বা তার চেয়ে বেশি মানুষের আবাস রয়েছে; এমন শহরের বায়ুর মানের ওপর নির্ভর করে ওই তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় ভারতের অবস্থান শীর্ষে। চতুর্থ স্থানেও রয়েছে দেশটির ফিল্ম সিটি খ্যাত মুম্বাই।
অন্যদিকে, নয়াদিল্লির পর সবচেয়ে দূষিত বায়ুর তালিকায় দ্বিতীয় মিসরের গ্রেটার কায়রো শহর। এছাড়া চীনের রাজধানী বেইজিং রয়েছে পঞ্চম স্থানে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় দৈনিক দ্য হিন্দুস্তান টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।
বায়ুতে পাওয়া বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর উপাদান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষই দূষিত বায়ুর মুখোমুখি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ২০১৬ সালে দূষিত বায়ুর প্রভাবে বিশ্বে ৭০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে ৪২ লাখ মানুষের প্রাণ গেছে কল-কারখানা, কার, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহনের কারণে বায়ু দূষণে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ দূষণে মারা গেছে ৩৮ লাখ।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ‘বৈশ্বিক পরিবেশ অবস্থান সূচক ২০১৮’ (ইপিআই) এর প্রকাশিত তালিকাতেও শীর্ষে ছিলো দিল্লি। আর ২য় অবস্থানে ছিলো ঢাকা। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্বে বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ভারত ও বাংলাদেশে। আর এই দূষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির ঝুঁকিতে আছে বাংলাদেশ।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
বিশ্বের যে শহরগুলোতে এক কোটি ৪০ লাখ বা তার চেয়ে বেশি মানুষের আবাস রয়েছে; এমন শহরের বায়ুর মানের ওপর নির্ভর করে ওই তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় ভারতের অবস্থান শীর্ষে। চতুর্থ স্থানেও রয়েছে দেশটির ফিল্ম সিটি খ্যাত মুম্বাই।
অন্যদিকে, নয়াদিল্লির পর সবচেয়ে দূষিত বায়ুর তালিকায় দ্বিতীয় মিসরের গ্রেটার কায়রো শহর। এছাড়া চীনের রাজধানী বেইজিং রয়েছে পঞ্চম স্থানে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ভারতীয় দৈনিক দ্য হিন্দুস্তান টাইমস এ তথ্য জানিয়েছে।
বায়ুতে পাওয়া বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর উপাদান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষই দূষিত বায়ুর মুখোমুখি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ২০১৬ সালে দূষিত বায়ুর প্রভাবে বিশ্বে ৭০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে ৪২ লাখ মানুষের প্রাণ গেছে কল-কারখানা, কার, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহনের কারণে বায়ু দূষণে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ দূষণে মারা গেছে ৩৮ লাখ।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে ‘বৈশ্বিক পরিবেশ অবস্থান সূচক ২০১৮’ (ইপিআই) এর প্রকাশিত তালিকাতেও শীর্ষে ছিলো দিল্লি। আর ২য় অবস্থানে ছিলো ঢাকা। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী ১৯৯০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্বে বায়ুদূষণ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ভারত ও বাংলাদেশে। আর এই দূষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির ঝুঁকিতে আছে বাংলাদেশ।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি