লস এঞ্জেলেস

কারাবন্দি কমাতে সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের মামলা


করোনাভাইরাস সংক্রমণের এই সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে কারাগারগুলো। জেলে কারাবন্দির সংখ্যা কমানো ও অভিবাসী আটককেন্দ্রে বন্দি স্থানান্তর স্থগিত করতে শুক্রবার দুটি মামলা দায়ের করেছে দ্য আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ)। 

ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গেভিন নিউসাম ও অ্যাটর্নি জেনারেল জেভিয়ার বেকেরার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণে কারাগারগুলো ‘হট জোনে’ পরিণত হচ্ছে।

সান দিয়াগোর দ্য ওটে মেসা ডিটেনশন সেন্টার ও সান্তা বারবারা কাউন্টির লোমপোক পেনিটেনচারিতে ইতোমধ্যে করোনভাইরাস ছড়িয়েছে। এ কারণে শুধু বন্দিরাই নন, সেখানে নিয়োজিত কর্মীরাও হুমকির মুখে রয়েছেন বলে অভিযোগে জানায় এসিএলইউ।

সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ায় এসিএলইউ-এর প্রধান পরামর্শক পেটার জে আলায়েসবার্গ এক বিবৃতিতে বলেন, ভাইরাস একবার ভিতরে প্রবেশ করলে উঁচু দেয়াল ও নিরাপত্তা তার-বলয় তা ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে পারবে না। 

ক্যালিফোর্নিয়ার বিভিন্ন জেল ও অভিবাসী আটক-কেন্দ্রগুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা অসম্ভব বলেও মন্তব্য  এসিএলইউ’র। সংগঠনটির মতে, আহার অথবা গোসল করতে গিয়ে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

তবে বিবেচনাধীন এই মামলা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমন্টের (আইসিই) এর মুখপাত্র। 

গেভিন নিউসাম এর প্রেস সেক্রেটারি ভিকি ওয়াটারস বলেন, অভিবাসী আটককেন্দ্রগুলোতে যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট। সেখানে অবস্থানরতদের সুরক্ষার জন্য হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ও হেলথ সিকিউরিটিজকে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৩১৭ জন বন্দির করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছে আইসিই। এরমধ্যে সান দিয়াগোর দ্য ওটে মেসা ডিটেনশন সেন্টারের ৫৭ বন্দি রয়েছেন। নিরাপত্তা চেয়ে তারা অনশন কর্মসূচি পালন করেছেন।

লস এঞ্জেলস এবং উত্তরের আডেলান্টো আটককেন্দ্রে স্টাফরা বন্দিদের পর্যাপ্ত চিকিৎসা সহায়তা দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করে এসিএলইউ। সেখানে এক নারী করোনাভাইরাস সংক্রান্ত উপসর্গে চেতনা হারিয়েছেন বলেও জানা গেছে। পরবর্তীতে এসিএলইউ’র এক আবেদনে একজন ফেডারেল বিচারক আডেলান্টো আটককেন্দ্রে বন্দি কমানোর নির্দেশ দেন।


/এলএ বাংলা টাইমস/এন/এইচ