নিরাপদে ঘরে থাকার বিধিনিষেধ এখনই তুলে নেওয়া হবে না বলে ইতোমধ্যে জানিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গেভিন নিউসাম ও অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। তবে রাজ্যের যেসব অঞ্চল ভাইরাসে কম ঝুঁকিপূর্ণ সেসব এলাকায় লকডাউন শিথিলের চাপ ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
করোনার প্রাদুর্ভাব লস এঞ্জেলস কাউন্টি ও সিলিকন ভ্যালিতে সবচেয়ে বেশি। এর বাইরে নর্দার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার বুট্টে, গ্লেন, তেহামা, ইউবা, সুটার ও কলোসা কাউন্টির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা গভর্নরের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন করেছেন। যাতে বিদ্যমান লকডাউন শিথিল ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করা হয়। ওসব এলাকা করোনা থেকে বিপদমুক্ত বলেই দাবি তাদের।
চিঠিতে বলা হয়, আমরা আমাদের স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়িয়ে চলেছি। কাউন্টিগুলো সতর্কতার সঙ্গে বা ধীরে ধীরে সচল করতে আপনাকে অনুরোধ করছি।
এছাড়া প্রথম ধাপে পার্ক, চার্চ, রেস্টুরেন্ট খুলে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে স্টেনিসালাস কাউন্টি থেকে।
ভাইরাস সংক্রমণের একেক চিত্র দেখা গেছে একেক অঞ্চলে। যেমন লস এঞ্জেলস কাউন্টিতে ৯শ এর বেশি মানুষ মারা গেলেও, এক ডজনেরও বেশি কাউন্টিতে করোনায় কেউ মারা যায়নি।
গভর্নর নিউসাম এ ব্যাপারে জানান, লকডাউন শিথিলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার সময় স্থানীয় পর্যায়ের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় থাকবে। অবস্থার উন্নতির জন্য ইতোমধ্যে ৬টি প্রাথমিক লক্ষ্যের কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে এখনো সেসব পূরণ হয়নি।
হুট করেই লকডাউন তুলে নেওয়ার পক্ষে নন অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও। তাদের মতে, এতে করে পুনরায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকতে পারে। যদিও ক্যালিফোর্নিয়াতে অনেকেই আন্দোলন করেছেন বিধিনিষেধ তুলে নিতে। অরেঞ্জ কাউন্টির সৈকতেও হাজার হাজার মানুষকে জড়ো হতে দেখা গেছে।
এদিকে, ক্যালিফোর্নিয়া হেলথ কেয়ার ফাউন্ডেশনের এক জরিপে দেখা গেছে, শতকরা ৭৫ ভাগ বাসিন্দারা চাচ্ছেন যতদিন প্রয়োজন লকডাউন বহাল থাকুক। বিপরীতে শতকরা ১১ ভাগ নাগরিক চান বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হোক। অপরদিকে লকডাউন নিয়ে শতকরা ১৩ ভাগ কোনো মতামত দেননি।
/এলএ বাংলা টাইমস/এন/এইচ