সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার প্যারামাউন্ট শহরের একটি সামরিক স্মৃতিসৌধ থেকে ব্রোঞ্জের সৈনিকের ভাস্কর্য চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক সেনাসদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। একই স্মৃতিসৌধে এটি দ্বিতীয়বারের মতো ভাঙচুর ও চুরির ঘটনা।
২০২৪ সালে প্যারামাউন্ট সিটি হলের সামনে ‘আর্মড ফোর্সেস মেমোরিয়াল’ নামে স্মৃতিসৌধটি উদ্বোধন করা হয়। সেখানে একজন হাঁটু গেড়ে বসা সৈনিকের জীবনাকৃতির ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য ছিল। এর পেছনে রয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত এক সৈনিকের স্মরণে তৈরি ‘ব্যাটলফিল্ড ক্রস’। এতে ছিল সৈনিকের বুট, রাইফেল, হেলমেট ও পরিচয়পত্রের ট্যাগ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৯ আগস্ট পাওয়া নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, রাত প্রায় ২টা ১৫ মিনিটে এক ব্যক্তি স্মৃতিসৌধের কাছে আসে। পরে একটি যন্ত্র ব্যবহার করে ভাস্কর্যটি তার ভিত্তি থেকে পুরোপুরি খুলে ফেলে। এরপর একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায় ওই ব্যক্তি।
পুরো চুরির ঘটনা ঘটাতে সময় লেগেছে চার মিনিটেরও কম।
এর আগেও হয়েছিল ভাঙচুর
এটি স্মৃতিসৌধটিতে হামলার দ্বিতীয় ঘটনা। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে, মেমোরিয়াল ডের কয়েক দিন আগে দুর্বৃত্তরা স্মৃতিসৌধে থাকা ব্রোঞ্জের রাইফেল করাত দিয়ে কেটে নিয়ে যায়। এ সময় স্মৃতিসৌধের আরও কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে শহর কর্তৃপক্ষ স্মৃতিসৌধটি সংস্কার করে। পাশাপাশি সেখানে আরও ভালো আলো ও নিরাপত্তা ক্যামেরা বসানো হয়। তবে এসব ব্যবস্থা সত্ত্বেও আবারও ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য চুরি হলো।
চুরি যাওয়া সৈনিকের ভাস্কর্য ও ব্রোঞ্জের রাইফেলের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ডলার।
ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
ভাস্কর্য চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক সেনাসদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ভেটেরান লুইস ম্যাকিয়াস বলেন, “ওই ভাস্কর্য আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেউ এটা কেন নিয়ে যাবে?”
ভিয়েতনাম যুদ্ধে হাসপাতাল কর্পসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ফ্র্যাঙ্ক ওয়াকার বলেন, “ঘটনাটি শুনে আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি।”
নৌবাহিনীর সাবেক সদস্য আন্দ্রেয়াস সার্ভান্তেস বলেন, “প্যারামাউন্ট শহরে থাকা সব ভেটেরানের মনোবলে এটি আঘাত করেছে।”
তিনি চুরি করা ভাস্কর্য ও রাইফেল ফিরিয়ে দিতে জড়িত ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে নজরদারি ক্যামেরার ভিডিওর মান খারাপ হওয়ায় এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তির চেহারা বা বিস্তারিত বর্ণনা দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
প্যারামাউন্ট শহর কর্তৃপক্ষ বলেছে, স্মৃতিসৌধটি নষ্ট করা দেশের স্বাধীনতা ও মানুষের সুরক্ষার জন্য জীবন ঝুঁকিতে ফেলা ব্যক্তিদের প্রতি “লজ্জাজনক অসম্মান”। তাদের ত্যাগ ও বীরত্বের প্রতি সম্মান জানাতেই এই স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছিল।
চুরির বিষয়ে কারও কাছে তথ্য থাকলে লস এঞ্জেলেস কাউন্টি শেরিফস ডিপার্টমেন্টে ২১৩-২২৯-১৭০০ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
২০২৪ সালে প্যারামাউন্ট সিটি হলের সামনে ‘আর্মড ফোর্সেস মেমোরিয়াল’ নামে স্মৃতিসৌধটি উদ্বোধন করা হয়। সেখানে একজন হাঁটু গেড়ে বসা সৈনিকের জীবনাকৃতির ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য ছিল। এর পেছনে রয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত এক সৈনিকের স্মরণে তৈরি ‘ব্যাটলফিল্ড ক্রস’। এতে ছিল সৈনিকের বুট, রাইফেল, হেলমেট ও পরিচয়পত্রের ট্যাগ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৯ আগস্ট পাওয়া নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, রাত প্রায় ২টা ১৫ মিনিটে এক ব্যক্তি স্মৃতিসৌধের কাছে আসে। পরে একটি যন্ত্র ব্যবহার করে ভাস্কর্যটি তার ভিত্তি থেকে পুরোপুরি খুলে ফেলে। এরপর একটি গাড়িতে করে পালিয়ে যায় ওই ব্যক্তি।
পুরো চুরির ঘটনা ঘটাতে সময় লেগেছে চার মিনিটেরও কম।
এর আগেও হয়েছিল ভাঙচুর
এটি স্মৃতিসৌধটিতে হামলার দ্বিতীয় ঘটনা। এর আগে ২০২৫ সালের মে মাসে, মেমোরিয়াল ডের কয়েক দিন আগে দুর্বৃত্তরা স্মৃতিসৌধে থাকা ব্রোঞ্জের রাইফেল করাত দিয়ে কেটে নিয়ে যায়। এ সময় স্মৃতিসৌধের আরও কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে শহর কর্তৃপক্ষ স্মৃতিসৌধটি সংস্কার করে। পাশাপাশি সেখানে আরও ভালো আলো ও নিরাপত্তা ক্যামেরা বসানো হয়। তবে এসব ব্যবস্থা সত্ত্বেও আবারও ব্রোঞ্জের ভাস্কর্য চুরি হলো।
চুরি যাওয়া সৈনিকের ভাস্কর্য ও ব্রোঞ্জের রাইফেলের আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ডলার।
ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা
ভাস্কর্য চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক সেনাসদস্যরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ভেটেরান লুইস ম্যাকিয়াস বলেন, “ওই ভাস্কর্য আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কেউ এটা কেন নিয়ে যাবে?”
ভিয়েতনাম যুদ্ধে হাসপাতাল কর্পসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ফ্র্যাঙ্ক ওয়াকার বলেন, “ঘটনাটি শুনে আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি।”
নৌবাহিনীর সাবেক সদস্য আন্দ্রেয়াস সার্ভান্তেস বলেন, “প্যারামাউন্ট শহরে থাকা সব ভেটেরানের মনোবলে এটি আঘাত করেছে।”
তিনি চুরি করা ভাস্কর্য ও রাইফেল ফিরিয়ে দিতে জড়িত ব্যক্তিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে নজরদারি ক্যামেরার ভিডিওর মান খারাপ হওয়ায় এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তির চেহারা বা বিস্তারিত বর্ণনা দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
প্যারামাউন্ট শহর কর্তৃপক্ষ বলেছে, স্মৃতিসৌধটি নষ্ট করা দেশের স্বাধীনতা ও মানুষের সুরক্ষার জন্য জীবন ঝুঁকিতে ফেলা ব্যক্তিদের প্রতি “লজ্জাজনক অসম্মান”। তাদের ত্যাগ ও বীরত্বের প্রতি সম্মান জানাতেই এই স্মৃতিসৌধ তৈরি করা হয়েছিল।
চুরির বিষয়ে কারও কাছে তথ্য থাকলে লস এঞ্জেলেস কাউন্টি শেরিফস ডিপার্টমেন্টে ২১৩-২২৯-১৭০০ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম