দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার তিন বাসিন্দা কোভিড-১৯ মহামারির সময় সরকারি অর্থনৈতিক সহায়তা কর্মসূচির ঋণ জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় ৩.৫ মিলিয়ন ডলার আত্মসাতের ঘটনায় দোষ স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভুয়া তথ্য ও নথি ব্যবহার করে নিজেদের, স্বজন, পরিচিতজন এবং অন্যদের নামে পে-চেক প্রোটেকশন প্রোগ্রাম (PPP) ঋণের আবেদন করা হয়েছিল।
অভিযুক্তরা হলেন পেরিসের ৩৪ বছর বয়সী ড্যারিল ডি. নাইটেন জুনিয়র, করোনার ৩৭ বছর বয়সী ভ্যানেসা এম. উইলিয়ামস এবং মোরেনো ভ্যালির ৩৬ বছর বয়সী ডেনিসে মাতা। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, ২০২১ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত তারা নিজেদের ও সহযোগীদের স্বনির্ভর কর্মী হিসেবে দেখিয়ে ঋণের আবেদন করেন এবং ব্যবসায়িক কাজে অর্থ ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন। এসব আবেদনে ভুয়া ট্যাক্স নথিও জমা দেওয়া হয়।
প্রসিকিউটরদের মতে, এই চক্রে ১০০ জনের বেশি সহযোগীর নামে ঋণ অনুমোদন হয়। ঋণের অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়ার পর কয়েক দিনের মধ্যেই সহযোগীরা অভিযুক্তদের ‘কিকব্যাক’ হিসেবে অর্থ ফেরত দিতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অর্থগুলো PPP কর্মসূচির অনুমোদিত খরচে ব্যবহার না করে ব্যক্তিগত কাজে ব্যয় করা হয়।
২২ সেপ্টেম্বর উইলিয়ামস ও মাতা এবং ২৪ সেপ্টেম্বর নাইটেন—তিনজনই ওয়্যার ফ্রডের একটি করে অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। আদালতের নথি অনুযায়ী, নাইটেনের কারণে অন্তত ১৪৫,৫৫০ ডলার, উইলিয়ামসের ১৮৭,৪৯৭ ডলার এবং মাতার ২০১,৬৪২ ডলার ক্ষতি হয়েছে বলে স্বীকার করা হয়েছে। আগামী ১৪ জানুয়ারি ২০২৭ তাদের সাজা ঘোষণার কথা রয়েছে; প্রতিটি অভিযোগে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত ফেডারেল কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।