লন্ডনে মার্কিন দূতাবাসের এক কর্মীর বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতনের ছবি রাখার অভিযোগ উঠেছে। তবে ব্রিটিশ পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার আগেই গত আগস্টে যুক্তরাজ্য থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লন্ডনের নিজ বাসা থেকে ওই কর্মীকে আটক করা হয়। পরে তাকে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। তিনি কূটনীতিক ছিলেন না, তবে কূটনৈতিক সুরক্ষার আওতায় ছিলেন বলে জানা গেছে।
মার্কিন দূতাবাস বিবিসিকে জানিয়েছে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই কর্মীকে যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বহাল করা হয়েছে।
দূতাবাস এক বিবৃতিতে বলেছে, মার্কিন সরকার তার সব কর্মীর কাছ থেকে সর্বোচ্চ মানের আচরণ প্রত্যাশা করে এবং এ ধরনের অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখে। অভিযোগ জানার পর তারা দ্রুত যুক্তরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি জানিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, ওই ব্যক্তি দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের ভক্সহলে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে কাজ করতেন। তিনি কূটনীতিক না হলেও তার পদমর্যাদার কারণে কূটনৈতিক সুরক্ষা পেয়েছিলেন।
মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর পরও তদন্ত বন্ধ হয়নি। যুক্তরাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে তারা।
এদিকে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা এবং লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ এ বিষয়ে মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছে বলে জানা গেছে।
যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র বলেছেন, দেশটিতে কর্মরত সব বিদেশি কূটনীতিককে ব্রিটিশ আইন মেনে চলতে হবে। বিদেশে দায়িত্ব পালন করা ব্রিটিশ কূটনীতিকদের কাছ থেকেও একই ধরনের আচরণ প্রত্যাশা করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে ওই কর্মীর নাম বা তার বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে কি না, তা প্রকাশ করা হয়নি।