দক্ষিণ এশিয়ায় টিকা গ্রহণের হারে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশের মানুষ। বাংলাদেশের চেয়ে সামান্য এগিয়ে আছে ভারত। আর দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে মালদ্বীপ। প্রতি দশহাজারে বাংলাদেশে দৈনিক টিকা নিচ্ছেন মাত্র ৫ জন।
তবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, টিকা নিতে প্রথম দিকের অনাগ্রহ কাটিয়ে উঠেছে মানুষ। দৈনিক ডোজের সংখ্যাও বেড়েছে। আর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আরো বিস্তৃত করতে হবে নিবন্ধন সেবা। তাহলেই ব্যাপক ভিত্তিতে মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
৭ই ফেব্রুয়ারি শুরু হয় দেশব্যাপী করোনার টিকাদান কার্যক্রম। সহজ নিবন্ধন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার পরেও, প্রত্যাশা অনুযায়ি সাড়া মেলেনি। টিকা গ্রহণে মানুষকে উদ্দীপ্ত করতে শর্তও শিথিল করা হয়। টিকা দান শুরুর মাস পেরিয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে আগের চেয়ে ভিড় বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এখন প্রতিদিন এক লাখের উপরে মানুষ টিকা নিচ্ছে।
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. শাহেদুর রহমান বলেন, "প্রথমদিন ৩৯ জন টিকা নিয়েছিলেন। এখন দিনে ১ হাজার ৪৯ জন হয়। এক মাসের ব্যবধানে ১ হাজার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। সাধারণ ব্যথা হয়েছে, সেটা স্বাভাবিক।" এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
তবে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, টিকা নিতে প্রথম দিকের অনাগ্রহ কাটিয়ে উঠেছে মানুষ। দৈনিক ডোজের সংখ্যাও বেড়েছে। আর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, আরো বিস্তৃত করতে হবে নিবন্ধন সেবা। তাহলেই ব্যাপক ভিত্তিতে মানুষকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
৭ই ফেব্রুয়ারি শুরু হয় দেশব্যাপী করোনার টিকাদান কার্যক্রম। সহজ নিবন্ধন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার পরেও, প্রত্যাশা অনুযায়ি সাড়া মেলেনি। টিকা গ্রহণে মানুষকে উদ্দীপ্ত করতে শর্তও শিথিল করা হয়। টিকা দান শুরুর মাস পেরিয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে আগের চেয়ে ভিড় বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এখন প্রতিদিন এক লাখের উপরে মানুষ টিকা নিচ্ছে।
জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. শাহেদুর রহমান বলেন, "প্রথমদিন ৩৯ জন টিকা নিয়েছিলেন। এখন দিনে ১ হাজার ৪৯ জন হয়। এক মাসের ব্যবধানে ১ হাজার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। সাধারণ ব্যথা হয়েছে, সেটা স্বাভাবিক।" এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি