তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে 'উদ্বিগ্ন' তিন ইউরোপীয় দেশ 'স্ন্যাপব্যাক' নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার একদিনেরও কম সময়ের মধ্যে ইরান থেকে নাগরিকদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জার্মানি।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, নাগরিকদের ইরান ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। যৌথ পারমাণবিক শক্তি চুক্তি বারবার এবং ব্যাপকভাবে লঙ্ঘনের কারণে ইরানের ওপর ২৮ আগস্ট ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ন্যাপব্যাক প্রক্রিয়া চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, যেহেতু ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা অতীতে বারবার পরিণতির হুমকি দিয়েছেন, তাই এটা উড়িয়ে দেওয়া যায় না যে, ইরানে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে জার্মান স্বার্থ এবং নাগরিকরা প্রভাবিত হবে। জারররমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, তেহরানের জার্মান দূতাবাস 'বর্তমানে কেবলমাত্র সীমিত কনস্যুলার সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম'।
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল তেহরানকে পারমাণবিক বোমা তৈরি থেকে বিরত রাখা। নথিটি বিশেষভাবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করে এবং ইউরেনিয়ামের পরিমাণ ও সমৃদ্ধকরণের সীমা নির্ধারণ করে। গত জুন মাসে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়, যখন ইসরায়েল তেহরানে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। ইরান ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার মাধ্যমে প্রতিশোধ নেয়। এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দিয়ে তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। এরপর ইরান কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লে ১২ দিনের এই সংঘাতের অবসান ঘটে। এরপর থেকে কোনো পক্ষ আর হামলা চালায়নি। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, নাগরিকদের ইরান ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। যৌথ পারমাণবিক শক্তি চুক্তি বারবার এবং ব্যাপকভাবে লঙ্ঘনের কারণে ইরানের ওপর ২৮ আগস্ট ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানি স্ন্যাপব্যাক প্রক্রিয়া চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, যেহেতু ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা অতীতে বারবার পরিণতির হুমকি দিয়েছেন, তাই এটা উড়িয়ে দেওয়া যায় না যে, ইরানে পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে জার্মান স্বার্থ এবং নাগরিকরা প্রভাবিত হবে। জারররমান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, তেহরানের জার্মান দূতাবাস 'বর্তমানে কেবলমাত্র সীমিত কনস্যুলার সহায়তা প্রদান করতে সক্ষম'।
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল তেহরানকে পারমাণবিক বোমা তৈরি থেকে বিরত রাখা। নথিটি বিশেষভাবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করে এবং ইউরেনিয়ামের পরিমাণ ও সমৃদ্ধকরণের সীমা নির্ধারণ করে। গত জুন মাসে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়, যখন ইসরায়েল তেহরানে আকস্মিক আক্রমণ চালায়। ইরান ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার মাধ্যমে প্রতিশোধ নেয়। এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দিয়ে তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। এরপর ইরান কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে বড় মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়লে ১২ দিনের এই সংঘাতের অবসান ঘটে। এরপর থেকে কোনো পক্ষ আর হামলা চালায়নি। এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস