আন্তর্জাতিক

মার্কিন বোমারু বিমান সরিয়ে নিলেও আরএএফ ফেয়ারফোর্ড নিরাপদ: ব্রিটিশ সরকারের দাবি

যুক্তরাজ্যের গ্লুচেস্টারশায়ারের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি নিরাপদ রয়েছে বলে জোর দিয়ে জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। এর এক দিন আগেই যুক্তরাষ্ট্র ঘাঁটিতে থাকা তাদের সব বোমারু বিমান নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, ঘাঁটিতে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেখানে প্রায় এক ডজন বি-১ বোমারু বিমান ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে ঘাঁটিকে ঘিরে নতুন নিরাপত্তা হুমকির তথ্য পাওয়ার কথা উঠে এসেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, ইরান-সমর্থিত কোনো হামলার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ার পর বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ প্রকাশ্যে এমন কোনো তাৎক্ষণিক হুমকির নিশ্চিত প্রমাণ দেয়নি। এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর ঘাঁটির কাছে সন্দেহজনক তিনটি গাড়ি নিয়ে পুলিশকে সতর্ক করা হয়। পরে ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে সম্ভাব্য নাশকতার অভিযোগে মোট ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের সবাইকে পরবর্তীতে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্ত এখনো চলছে। ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্রকে ঘাঁটিটি এখন নিরাপদ কি না জানতে চাইলে তিনি সরাসরি “হ্যাঁ” বলেন। তিনি আরও জানান, যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটিগুলো সুরক্ষায় পরীক্ষিত ও কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। তবে মার্কিন বোমারু বিমান প্রত্যাহারের ঘটনাটি ব্রিটেনের নিরাপত্তা ও যুক্তরাষ্ট্র-ব্রিটেন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকেও ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদারের দাবি উঠেছে। এদিকে ইরান অতীতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত ঘাঁটিগুলোকে বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে আরএএফ ফেয়ারফোর্ডের সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে ইরানের সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ তেহরান অস্বীকার করেছে।