আন্তর্জাতিক

মিয়ানমারের বিধ্বস্ত বিমানের ৩ লাশ ও ১৫ যাত্রী জীবিত উদ্ধার

১২২ আরোহী নিয়ে মিয়ানমারের নিখোঁজ সামরিক বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে ও তিনজনের লাশ পাওয়া গেছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর দেওয়া এক বিবৃতির বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, ৮ জুন বৃহস্পতিবার সকালে আন্দামান সাগরে এসব খুঁজে পাওয়া যায়। উড়োজাহাজটি মায়িক শহর থেকে ইয়াঙ্গুনে যাচ্ছিল।  এছাড়া ১৫ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মিরর। গতকাল ৭ জুন বুধবার বিমানটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়ার পর এসব যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়
নৌবাহিনীর একটি উদ্ধারকারী জাহাজ একজন নারী, একজন পুরুষ ও একটি শিশুর লাশ খুঁজে পেয়েছে। লাগেজের টুকরো, নিরাপত্তা জ্যাকেট ও একটি টায়ার পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, টায়ারটি উড়োজাহাজের চাকার। দেশটির সেনাবাহিনী তাদের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে জানায়, দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর লাংলোন থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে নৌবাহিনীর একটি জাহাজ তিনজনের লাশ খুঁজে পায়। বুধবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের মিয়েক শহর থেকে রাজধানী ইয়াঙ্গুনের উদ্দেশে যাত্রা শুরুর পর পরই বিমানটি নিখোঁজ হয়। মিয়েক শহরের পর্যটন কর্মকর্তা নাইং লিন জ্য বলেন, দাওয়েই শহর থেকে ১৩০ মাইল (২১৮ কিলোমিটার) দূরে সাগরে তারা বিমানের ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পেয়েছেন।
মিয়ানমার সেনাপ্রধানের কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সে সময় বিমানটি দাওয়েই শহরের ২০ মাইল পশ্চিমে আন্দামান সাগরের আকাশে ছিল। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিমানটি নিখোঁজের পরপরই তল্লাশি অভিযানে সাগরে জাহাজ নৌ বাহিনীর ৪ টি জাহাজ মোতায়েনের পাশাপাশি বিমান বাহিনীর দুটি বিমান পাঠানো হয়েছে।  
এদিকে বিমানের যাত্রীসংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময় ভিন্ন সংখ্যা দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ যে সংখ্যার কথা বলা হচ্ছে তা হলো ১২২। দেশটির সেনাপ্রধানের দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, উড়োজাহাজে থাকা আরোহীদের অর্ধেকের বেশি সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্য। এর মধ্যে ১৫টি শিশু, ৩৫ জন সেনা ও ১৪ জন ক্রু রয়েছেন।