লস এঞ্জেলেস

ব্যর্থ দণ্ড কার্যকরের পর সংকটাপন্ন ক্রাইস্টা পাইক অচেতন অবস্থায় ভেন্টিলেটরে

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে দণ্ড কার্যকরের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ক্রাইস্টা পাইক অচেতন অবস্থায় ভেন্টিলেটরে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। পাইককে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে দণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও তিনি মারা যাননি। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং বর্তমানে ভেন্টিলেটরের সহায়তায় রাখা হয়েছে বলে তার আইনজীবীরা জানান। আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, দণ্ড কার্যকরের পর পাইকের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হয়ে পড়ে এবং তিনি অচেতন অবস্থায় রয়েছেন। তার চিকিৎসা ও বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সীমিত। ক্রাইস্টা পাইককে ১৯৯৫ সালে টেনেসিতে সহকর্মী বন্দি কোলিন সেমুরকে হত্যার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। মামলার নথি অনুযায়ী, কারাগারে থাকা অবস্থায় দুই নারীর মধ্যে বিরোধের জেরে ওই ঘটনা ঘটে। পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর তার দণ্ড কার্যকরের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রচেষ্টা সফল না হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি করেছে। তার আইনজীবীরা আদালতে দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি এবং এর পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা পাইকের বর্তমান অবস্থার বিষয়টিও আদালতের নজরে এনেছেন। টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি নিয়ে এর আগেও বিতর্ক হয়েছে। বিশেষ করে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটি প্রত্যাশিতভাবে কাজ না করলে বন্দির শারীরিক অবস্থার ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাইকের ক্ষেত্রে ব্যর্থ দণ্ড কার্যকরের পর এখন তার চিকিৎসা পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ আইনি পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।