ক্যালিফোর্নিয়ায় নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগে ২৮ জন বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে মার্কিন নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন এবং ভোট দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রে প্তার করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রের বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হলেও মার্কিন নাগরিক নন। দেশটিতে গ্রিন কার্ডধারীরা স্থায়ীভাবে বসবাস ও কাজ করার অনুমতি পেলেও সাধারণত ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার পান না।
অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তদের কয়েকজন ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সময় নিজেদের মার্কিন নাগরিক বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে নাগরিকত্বের আবেদনে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কয়েকজনের বিরুদ্ধে একাধিক নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এই অভিযানটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন প্রোটেক্ট দ্য ভোট’। ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত চারটি ফেডারেল অ্যাটর্নির দপ্তর সমন্বিতভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্বাচনী ব্যবস্থায় অনিয়ম ঠেকানো এবং ভোটার নিবন্ধনের ক্ষেত্রে আইন অনুসরণ নিশ্চিত করাই এ ধরনের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য।
ঘটনাটি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনী নিরাপত্তা ও অনাগরিকদের ভোট দেওয়ার অধিকার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ট্রাম্প প্রশাসন ভোটার তালিকা যাচাইয়ের ওপর জোর দিচ্ছে। অন্যদিকে, ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা ব্যাপক নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগের বিরোধিতা করেছেন।
মার্কিন আইনে নাগরিকত্ব ছাড়া ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়া বেআইনি। তবে স্থানীয় কিছু নির্বাচনে অনাগরিকদের ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে, যদি সংশ্লিষ্ট স্থানীয় আইন তা অনুমোদন করে।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণের ভিত্তিতেই তাঁদের দায় নির্ধারিত হবে।