যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ২১ মে, ২০২৫ তারিখে হোয়াইট হাউসে বৈঠক করেছেন।এই বৈঠকটি আফ্রিকানারদের পুনর্বাসন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার জমি সংস্কার নীতিমালা নিয়ে উদ্ভূত উত্তেজনার প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত হয়।
ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ কৃষকদের বিরুদ্ধে "গণহত্যা" চলছে বলে দাবি করে এবং প্রায় ৫০ জন আফ্রিকানারকে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় দেয়।এই পদক্ষেপ দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এবং আন্তর্জাতিক মহলে সমালোচনার সৃষ্টি করেছে, কারণ দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।রামাফোসা জানান, "যারা যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন, তারা শরণার্থীর সংজ্ঞার আওতায় পড়েন না"।
বৈঠকে ট্রাম্প দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষি জমি অধিগ্রহণ আইন এবং কৃষকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।তিনি বলেন, "এটি একটি গণহত্যা যা ঘটছে। কৃষকদের হত্যা করা হচ্ছে এবং তাদের জমি জোরপূর্বক দখল করা হচ্ছে"।
রামাফোসা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, "আপনারা যা শুনেছেন, তা সত্য নয়। আমাদের দেশে এমন কিছু ঘটছে না"। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিশিষ্ট গল্ফার আর্নি এলস এবং রেটিফ গুসেন, যারা ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে রামাফোসার সঙ্গে এসেছিলেন।এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা ইলন মাস্কও বৈঠকে অংশ নেন। এই বৈঠকটি যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে বাণিজ্য, মানবাধিকার এবং অভিবাসন নীতিমালা নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
রামাফোসা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, "আপনারা যা শুনেছেন, তা সত্য নয়। আমাদের দেশে এমন কিছু ঘটছে না"। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিশিষ্ট গল্ফার আর্নি এলস এবং রেটিফ গুসেন, যারা ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে রামাফোসার সঙ্গে এসেছিলেন।এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা ইলন মাস্কও বৈঠকে অংশ নেন। এই বৈঠকটি যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে বাণিজ্য, মানবাধিকার এবং অভিবাসন নীতিমালা নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এলএবাংলাটাইমস/ওএম