আমেরিকা

ট্রাম্পের শুল্ক নীতির প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যের দাম বৃদ্ধি: ভোক্তাদের জন্য নতুন চাপ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে চীন থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ৩০% পর্যন্ত শুল্ক আরোপের কারণে খুচরা বিক্রেতারা এই অতিরিক্ত ব্যয় ভোক্তাদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছেন। বিশ্বখ্যাত খুচরা বিক্রেতা ওয়ালমার্ট ঘোষণা করেছে যে, তারা শুল্কের কারণে পণ্যের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। ওয়ালমার্টের সিইও ডগ ম্যাকমিলন বলেন, "আমরা আমাদের পণ্যের দাম যতটা সম্ভব কম রাখতে চেষ্টা করব, তবে শুল্কের মাত্রা এতটাই বেশি যে, আমরা সব চাপ সামলাতে পারছি না।" খেলনা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ম্যাটেলও একই কারণে দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। তাদের সিইও ইয়নন ক্রেইজ জানান, "বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা আমাদের পণ্যের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছি।" ইলেকট্রনিক্স খাতে, বেস্ট বাই সতর্ক করেছে যে, তাদের সরবরাহকারীরা শুল্কের অতিরিক্ত ব্যয় তাদের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপর প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও, চীনা ই-কমার্স কোম্পানি শেইন এবং তেমু ঘোষণা করেছে যে, তারা শুল্কের কারণে তাদের পণ্যের দাম বাড়াবে। এই দাম বৃদ্ধি ২৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫৪% কোম্পানি শুল্কের কারণে তাদের পণ্যের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। এই পরিস্থিতি ভোক্তাদের জন্য অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই শুল্ক নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়তে পারে এবং ভোক্তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, ভোক্তাদেরকে তাদের ব্যয় পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করতে হতে পারে এবং বিকল্প পণ্য বা সেবা খুঁজতে হতে পারে।

এলএবাংলাটাইমস/ওএম