আমেরিকা

জর্জ ফ্লয়েডের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা ও ন্যায়বিচারের আহ্বান

২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে হাজার হাজার মানুষ মিনিয়াপোলিস ও হিউস্টনে জর্জ ফ্লয়েডের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে সমবেত হন। ২০২০ সালে মিনিয়াপোলিসে পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাউভিনের হাতে ৪৬ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের নির্মম হত্যাকাণ্ড বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে দেয়। মিনিয়াপোলিসে, ফ্লয়েডের মৃত্যুর স্থান জর্জ ফ্লয়েড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হয় গীর্জার সেবা, সঙ্গীতানুষ্ঠান, রাস্তার উৎসব ও মোমবাতি প্রজ্বলন। শিল্পী ও সমাজকর্মীরা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন এবং বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি সংস্কারের জন্য তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন । হিউস্টনে, ফ্লয়েডের পরিবারের সদস্যরা তাঁর শৈশবের বাড়ি কুনি হোমসে ফিরে আসেন। এখানে রেভারেন্ড আল শার্পটন একটি স্মরণসভার আয়োজন করেন, যেখানে তিনি ফ্লয়েডের মৃত্যুকে এমেট টিলের হত্যার সঙ্গে তুলনা করে বলেন, "যে অবিচারের শিকার এমেট টিল হয়েছিল, জর্জ ফ্লয়েডও তেমনই একজন প্রতীক" । এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা ফ্লয়েডের স্মরণে গান গেয়েছেন, প্রার্থনা করেছেন এবং ন্যায়বিচারের জন্য তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেছেন। তারা বলেন, "এই সংগ্রাম একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়" । এই স্মরণসভার মাধ্যমে, ফ্লয়েডের পরিবার ও সমর্থকরা বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, "আমরা এখানে আছি, আমরা এখানে থাকব" ।
এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকে, পুলিশ সংস্কার ও বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে অনেকেই মনে করেন যে, এখনও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে। এই স্মরণসভার মাধ্যমে, ফ্লয়েডের পরিবার ও সমর্থকরা বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, "এই সংগ্রাম একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়" । এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকে, পুলিশ সংস্কার ও বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে অনেকেই মনে করেন যে, এখনও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে। এই স্মরণসভার মাধ্যমে, ফ্লয়েডের পরিবার ও সমর্থকরা বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, "এই সংগ্রাম একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়" । এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকে, পুলিশ সংস্কার ও বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে অনেকেই মনে করেন যে, এখনও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে। এই স্মরণসভার মাধ্যমে, ফ্লয়েডের পরিবার ও সমর্থকরা বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, "এই সংগ্রাম একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়" । এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকে, পুলিশ সংস্কার ও বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে অনেকেই মনে করেন যে, এখনও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে। এই স্মরণসভার মাধ্যমে, ফ্লয়েডের পরিবার ও সমর্থকরা বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, "এই সংগ্রাম একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়" । এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকে, পুলিশ সংস্কার ও বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে অনেকেই মনে করেন যে, এখনও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে। এই স্মরণসভার মাধ্যমে, ফ্লয়েডের পরিবার ও সমর্থকরা বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, "এই সংগ্রাম একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়" । এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকে, পুলিশ সংস্কার ও বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে অনেকেই মনে করেন যে, এখনও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে। এই স্মরণসভার মাধ্যমে, ফ্লয়েডের পরিবার ও সমর্থকরা বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, "এই সংগ্রাম একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়" । এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকে, পুলিশ সংস্কার ও বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে অনেকেই মনে করেন যে, এখনও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে। এই স্মরণসভার মাধ্যমে, ফ্লয়েডের পরিবার ও সমর্থকরা বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, "এই সংগ্রাম একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়" । এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর থেকে, পুলিশ সংস্কার ও বর্ণবৈষম্য দূরীকরণের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তবে অনেকেই মনে করেন যে, এখনও অনেক কিছু করার বাকি রয়েছে। এই স্মরণসভার মাধ্যমে, ফ্লয়েডের পরিবার ও সমর্থকরা বর্ণবৈষম্য ও পুলিশি নির্যাতনের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা বলেন, "এই সংগ্রাম একটি ম্যারাথন, স্প্রিন্ট নয়" ।

এলএবাংলাটাইমস/ওএম