যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দীর্ঘদিনের মিত্র ও জর্জিয়ার রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান মার্জোরি টেলর গ্রিনের প্রতি সবধরনের সমর্থন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন। ট্রাম্পের নীতির প্রবল সমর্থক হিসেবে পরিচিত গ্রিন সাম্প্রতিক সময়ে তার বেশ কয়েকটি নীতি সমালোচনা করায় দু’জনের সম্পর্ক ভেঙে যায়।
এক প্রায় ৩০০ শব্দের সামাজিক মাধ্যম পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে গ্রিন “ফার লেফট”-এর দিকে চলে গেছেন। তিনি ঘোষণা দেন যে আগামী বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী দিয়ে গ্রিনকে পরাজিত করতে হবে।
গ্রিন প্রশ্ন তুলেছিলেন—ট্রাম্প কি এখনো সত্যিই ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করছেন? তিনি ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি, জীবনযাপন ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ এবং জেফ্রি এপস্টিন–সংক্রান্ত ফাইল পরিচালনা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন।
গ্রিন বলেন, ট্রাম্প তাকে লক্ষ্যবস্তু করেছেন যাতে অন্য রিপাবলিকানরা এপস্টিন ফাইল প্রকাশে ভোট দিতে ভয় পায়।
ফ্লোরিডায় ফেরার পথে শুক্রবার রাতে ট্রাম্প লিখেন, “ওয়্যাকি মার্জোরি যা করছে তা হলো অভিযোগ, অভিযোগ, অভিযোগ!”
তিনি দাবি করেন, তিনি গ্রিনকে গভর্নর বা সিনেটর পদে না দাঁড়ানোর পরামর্শ দেওয়ার পর থেকেই গ্রিন তার বিরুদ্ধে মনোভাব তৈরি করেছে।
ট্রাম্প আরও লেখেন, “সে নাকি বহু লোককে বলেছে যে আমি তার ফোন ধরছি না—কিন্তু প্রতিদিন একজন ‘উন্মাদ’র কল নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না।” তিনি আরও দাবি করেন, গ্রিনের নির্বাচনী এলাকার ভোটাররাও তার আচরণে “বিরক্ত” এবং “সঠিক প্রার্থী দাঁড়ালে” তিনি সেই প্রার্থীকে “সম্পূর্ণ ও অটল সমর্থন” দেবেন। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে এপস্টিন ফাইল ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দলের সমালোচনার মুখে আছেন। একসময় এপস্টিনের সাথে তার বন্ধুত্ব থাকলেও তিনি দাবি করেন, ২০০০-এর দশকের প্রথম দিকে তাদের সম্পর্ক শেষ হয় এবং এপস্টিনের অপরাধে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। গ্রিনসহ চারজন রিপাবলিকান—ন্যন্সি মেস, লরেন বুবের্ট ও থমাস ম্যাসি—ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে এপস্টিন ফাইল প্রকাশের জন্য একটি ‘ডিসচার্জ পিটিশন’-এ সই করেন। ট্রাম্প এ নিয়ে ক্ষুব্ধ। জবাবে গ্রিন X-এ পোস্ট করেন যে ট্রাম্প ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে আক্রমণ করছেন যাতে অন্য রিপাবলিকানরা ভয় পেয়ে ভোট না দেয়। তিনি লিখেন, “আগামী সপ্তাহে এপস্টিন ফাইল প্রকাশের ভোটের আগে অন্য রিপাবলিকানদের ভয় দেখানোর জন্যই তিনি আমাকে টার্গেট করছেন।” সাম্প্রতিক দিনগুলোতে গ্রিন ট্রাম্পের নীতিগুলো—বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ও শুল্কনীতি—নিয়ে কঠোর সমালোচনা করছেন। তবে সবচেয়ে বেশি তিনি ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের এপস্টিন ফাইল পরিচালনার কারণে। তিনি CBS নিউজকে বলেন, “আমি শুধু ভুক্তভোগী নারীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। তাদের জন্যই আমরা লড়ছি—এটাই মূল কথা।”
এলএবাংলাটাইমস/ওএম
ট্রাম্প আরও লেখেন, “সে নাকি বহু লোককে বলেছে যে আমি তার ফোন ধরছি না—কিন্তু প্রতিদিন একজন ‘উন্মাদ’র কল নেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না।” তিনি আরও দাবি করেন, গ্রিনের নির্বাচনী এলাকার ভোটাররাও তার আচরণে “বিরক্ত” এবং “সঠিক প্রার্থী দাঁড়ালে” তিনি সেই প্রার্থীকে “সম্পূর্ণ ও অটল সমর্থন” দেবেন। ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে এপস্টিন ফাইল ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দলের সমালোচনার মুখে আছেন। একসময় এপস্টিনের সাথে তার বন্ধুত্ব থাকলেও তিনি দাবি করেন, ২০০০-এর দশকের প্রথম দিকে তাদের সম্পর্ক শেষ হয় এবং এপস্টিনের অপরাধে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। গ্রিনসহ চারজন রিপাবলিকান—ন্যন্সি মেস, লরেন বুবের্ট ও থমাস ম্যাসি—ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে এপস্টিন ফাইল প্রকাশের জন্য একটি ‘ডিসচার্জ পিটিশন’-এ সই করেন। ট্রাম্প এ নিয়ে ক্ষুব্ধ। জবাবে গ্রিন X-এ পোস্ট করেন যে ট্রাম্প ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে আক্রমণ করছেন যাতে অন্য রিপাবলিকানরা ভয় পেয়ে ভোট না দেয়। তিনি লিখেন, “আগামী সপ্তাহে এপস্টিন ফাইল প্রকাশের ভোটের আগে অন্য রিপাবলিকানদের ভয় দেখানোর জন্যই তিনি আমাকে টার্গেট করছেন।” সাম্প্রতিক দিনগুলোতে গ্রিন ট্রাম্পের নীতিগুলো—বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা ও শুল্কনীতি—নিয়ে কঠোর সমালোচনা করছেন। তবে সবচেয়ে বেশি তিনি ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের এপস্টিন ফাইল পরিচালনার কারণে। তিনি CBS নিউজকে বলেন, “আমি শুধু ভুক্তভোগী নারীদের পাশে দাঁড়িয়েছি। তাদের জন্যই আমরা লড়ছি—এটাই মূল কথা।”
এলএবাংলাটাইমস/ওএম