গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন যদি অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক না হয় তাহলে দেশে অস্থিতিশীলতা বাড়বে। দলের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বুধবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর নেতৃবৃন্দ একথা বলেন।
তারা বলেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই অনেকগুলি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বিদ্যমান বিভাজনের রাজনীতি ও ভঙ্গুর রাজনৈতিক ব্যবস্থা দেশকে আরো বিপদে ফেলে দিবে। তারা বলেন, দেশে আরেকটি জবরদস্তির নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে পরিপূর্ণভাবে ধংস করবে।
কাজেই আগামী নির্বাচনকে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করতে নির্বাচনকালীন সরকারের কাঠামো ও ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ঐক্যমত্য তৈরি অত্যন্ত আবশ্যক। আর এর উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। নেতৃবৃন্দ টালবাহানা না করে সরকারকে সেই উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। আর তা না হলে জনগণের মুখোমুখি হওয়ার পরিণতি অতীতের স্বৈরাচারী শক্তির মতো বর্তমান সরকারকেও বরণ করতে হবে।
বুধবার ছিল গণসংহতি আন্দোলনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ‘স্বৈরাচারী দুঃশাসন মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হোন! মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্খার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে বেগবান করুন!’-এই শ্লোগান নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধসহ জনগণের মুক্তিসংগ্রামের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক প্রদান করে।
দলের প্রধান সমন্বয়কারী জননেতা জোনায়েদ সাকির নেতৃত্বে এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, শ্যামলী শীল, মনিরউদ্দিন পাপ্পু, আবু বকর রিপন, জুলহাসনাইন বাবু, আরিফুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপক রায়, কেন্দ্রীয় সংগঠক আলীফ দেওয়ান, ঢাকা কমিটির নেতা মিজানুর রহমান মোল্লা, মনিরুল হুদা বাবন, মাসুম রানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীবৃন্দ।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
তারা বলেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই অনেকগুলি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বিদ্যমান বিভাজনের রাজনীতি ও ভঙ্গুর রাজনৈতিক ব্যবস্থা দেশকে আরো বিপদে ফেলে দিবে। তারা বলেন, দেশে আরেকটি জবরদস্তির নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে পরিপূর্ণভাবে ধংস করবে।
কাজেই আগামী নির্বাচনকে অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করতে নির্বাচনকালীন সরকারের কাঠামো ও ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ঐক্যমত্য তৈরি অত্যন্ত আবশ্যক। আর এর উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। নেতৃবৃন্দ টালবাহানা না করে সরকারকে সেই উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। আর তা না হলে জনগণের মুখোমুখি হওয়ার পরিণতি অতীতের স্বৈরাচারী শক্তির মতো বর্তমান সরকারকেও বরণ করতে হবে।
বুধবার ছিল গণসংহতি আন্দোলনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ‘স্বৈরাচারী দুঃশাসন মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হোন! মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্খার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে বেগবান করুন!’-এই শ্লোগান নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধসহ জনগণের মুক্তিসংগ্রামের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও পুষ্পস্তবক প্রদান করে।
দলের প্রধান সমন্বয়কারী জননেতা জোনায়েদ সাকির নেতৃত্বে এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, শ্যামলী শীল, মনিরউদ্দিন পাপ্পু, আবু বকর রিপন, জুলহাসনাইন বাবু, আরিফুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপক রায়, কেন্দ্রীয় সংগঠক আলীফ দেওয়ান, ঢাকা কমিটির নেতা মিজানুর রহমান মোল্লা, মনিরুল হুদা বাবন, মাসুম রানাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীবৃন্দ।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি