জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারে পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালত কারাগারে চলে যাচ্ছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যেখানে বন্দী আছেন, সেখানেই তার বিচার হবে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিষয়টি জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।
এর আগে বিকেলে এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী আমিনুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তারা স্পষ্ট কিছু জানা নেই বলে জানান।
রেজাউল বলেন, ‘শুনতে পাচ্ছি যে, খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনার জন্য কারাগারে আদালত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। কিন্তু তারা বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।’
খালেদা জিয়ার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আগামীকাল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার শুনানি আছে। আমরা আদালতে গিয়ে কথা বলব, তবে এ মামলা শুনানি করতে কারাগারেই আদালত বসানো হবে নাকি কারাগারে আদালত স্থানান্তর করা হবে, সেটা বলতে পারব না। আমাদের কাছে এ রকম কোনো চিঠি আসেনি।’
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত আছে। খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি রয়েছে।
এদিকে আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতির উপসচিব (প্রশাসন-১) মো. মাহবুবার রহমান সরকার।
কারাগারের ভেতরে খালেদা জিয়ার বিচার সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: বিএনপি
কারাগারের ভেতরে আদালত বসিয়ে খালেদা জিয়ার বিচার কার্যক্রম পরিচালনার যে সিদ্ধান্ত, তা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া চ্যারিটেবল মামলা বকশীবাজার কারা অধিদপ্তরের মাঠ থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামীকাল থেকে কারাগারে তার মামলা পরিচালনা করা হবে, এটি সংবিধান বিরোধী। এটি ৩৫/৩ এর সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। এই ধারায় সুস্পষ্ট লেখা আছে এধরনের মামলা প্রকাশ্যে হতে হয়। এটা অত্যন্ত সেনসিটিভ ইস্যু। এটা প্রকাশ্যে পরিচালিত হতে হবে। কিন্তু এটা না করে কারাগারে বিচার করার সিদ্ধান্ত সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে হয়রানি করা, আসন্ন নির্বাচন থেকে বিরত রেখে একদলীয় নির্বাচন চূড়ান্ত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত। আমরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাই, এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে এবং তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
ফখরুল বলেন, এটাকে আমরা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্ব হিসেবে দেখছি। আমরা শিগগিরই রাজনৈতিক কর্মসূচি হাতে নেব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার, ড. আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।
এর আগে বিকাল ৪টায় ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, জাপান, কানাডা, পাকিস্তান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মিশরসহ ১৮টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিষয়টি জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।
এর আগে বিকেলে এ বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম ও খালেদা জিয়ার আইনজীবী আমিনুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তারা স্পষ্ট কিছু জানা নেই বলে জানান।
রেজাউল বলেন, ‘শুনতে পাচ্ছি যে, খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনার জন্য কারাগারে আদালত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। কিন্তু তারা বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।’
খালেদা জিয়ার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আগামীকাল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার শুনানি আছে। আমরা আদালতে গিয়ে কথা বলব, তবে এ মামলা শুনানি করতে কারাগারেই আদালত বসানো হবে নাকি কারাগারে আদালত স্থানান্তর করা হবে, সেটা বলতে পারব না। আমাদের কাছে এ রকম কোনো চিঠি আসেনি।’
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত আছে। খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি রয়েছে।
এদিকে আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এতে স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্রপতির উপসচিব (প্রশাসন-১) মো. মাহবুবার রহমান সরকার।
কারাগারের ভেতরে খালেদা জিয়ার বিচার সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: বিএনপি
কারাগারের ভেতরে আদালত বসিয়ে খালেদা জিয়ার বিচার কার্যক্রম পরিচালনার যে সিদ্ধান্ত, তা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর৷
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া চ্যারিটেবল মামলা বকশীবাজার কারা অধিদপ্তরের মাঠ থেকে কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামীকাল থেকে কারাগারে তার মামলা পরিচালনা করা হবে, এটি সংবিধান বিরোধী। এটি ৩৫/৩ এর সম্পূর্ণ লঙ্ঘন। এই ধারায় সুস্পষ্ট লেখা আছে এধরনের মামলা প্রকাশ্যে হতে হয়। এটা অত্যন্ত সেনসিটিভ ইস্যু। এটা প্রকাশ্যে পরিচালিত হতে হবে। কিন্তু এটা না করে কারাগারে বিচার করার সিদ্ধান্ত সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে হয়রানি করা, আসন্ন নির্বাচন থেকে বিরত রেখে একদলীয় নির্বাচন চূড়ান্ত করার জন্য এই সিদ্ধান্ত। আমরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাই, এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হবে এবং তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।
ফখরুল বলেন, এটাকে আমরা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্ব হিসেবে দেখছি। আমরা শিগগিরই রাজনৈতিক কর্মসূচি হাতে নেব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ব্যারিস্টার জমির উদ্দীন সরকার, ড. আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।
এর আগে বিকাল ৪টায় ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে বিএনপি।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, চীন, জাপান, কানাডা, পাকিস্তান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মিশরসহ ১৮টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি