বিদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
২ অক্টোবর, মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সাম্যবাদী দলের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন। খবর বাসসের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের কয়েকজন নেতা যতটা না আওয়ামী লীগ বিরোধী, তার চেয়ে তারা বেশি শেখ হাসিনা বিদ্বেষী। তারা আওয়ামী লীগকে নয়, শেখ হাসিনাকে হটাতে চায়।’
‘বিদেশে যে চক্রান্ত হচ্ছে তার মূল টার্গেট বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে হত্যা করারও পাঁয়তারা করছেন তারা। আবারও তাকে ঘিরে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।’
সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরাও জাতীয় ঐক্য চাই। সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, নষ্ট রাজনীতিক, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির মধ্যে আমরাও জাতীয় ঐক্য চাই।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর প্রশ্নে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। কারণ মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে ও আমাদের অস্তিত্বকে রক্ষা করতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপরিহার্য। আর দেশের মানুষ তার ওপর আস্থাশীল।’
‘যারা বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসেন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিশ্বাস করেন, তারা নিজেদের মধ্যে সামান্য ভুল বোঝাবুঝির জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দুর্বল করবেন না। কারণ দুর্বলতার সময় শত্রুরা আঘাত করে।’
দেশের বামপন্থী রাজনীতিকরা যে সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে কোনো ধরনের ঐক্যে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এটা দেশের রাজনীতির একটি বড় ধরনের গুণগত পরিবর্তন বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে বিএনপির অভিযোগের জবাবে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা চাই না কারও বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা হোক। পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে বিএনপি-জামায়াত ২০১৪ সালের মতো নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য পরিকল্পনা করছে।’
‘পুলিশ এ ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে মামলা করলে তাকে হয়রানিমূলক মামলা বলা যায় না। কারণ যে কোনো ধরনের নাশকতার তথ্য থাকে গোয়েন্দাদের কাছে, আওয়ামী লীগের কাছে নয়।’
বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনারা প্রয়োজনে আদালতে যান, নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করুন। আদালত নিরপেক্ষ ও স্বাধীন।’
সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ১৪ দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
২ অক্টোবর, মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর রমনাস্থ ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সাম্যবাদী দলের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন। খবর বাসসের।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের কয়েকজন নেতা যতটা না আওয়ামী লীগ বিরোধী, তার চেয়ে তারা বেশি শেখ হাসিনা বিদ্বেষী। তারা আওয়ামী লীগকে নয়, শেখ হাসিনাকে হটাতে চায়।’
‘বিদেশে যে চক্রান্ত হচ্ছে তার মূল টার্গেট বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে হত্যা করারও পাঁয়তারা করছেন তারা। আবারও তাকে ঘিরে ষড়যন্ত্র হচ্ছে।’
সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরাও জাতীয় ঐক্য চাই। সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, নষ্ট রাজনীতিক, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির মধ্যে আমরাও জাতীয় ঐক্য চাই।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর প্রশ্নে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। কারণ মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে ও আমাদের অস্তিত্বকে রক্ষা করতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপরিহার্য। আর দেশের মানুষ তার ওপর আস্থাশীল।’
‘যারা বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসেন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বিশ্বাস করেন, তারা নিজেদের মধ্যে সামান্য ভুল বোঝাবুঝির জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে দুর্বল করবেন না। কারণ দুর্বলতার সময় শত্রুরা আঘাত করে।’
দেশের বামপন্থী রাজনীতিকরা যে সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে কোনো ধরনের ঐক্যে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এটা দেশের রাজনীতির একটি বড় ধরনের গুণগত পরিবর্তন বলেও উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হচ্ছে বলে বিএনপির অভিযোগের জবাবে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা চাই না কারও বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা হোক। পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে বিএনপি-জামায়াত ২০১৪ সালের মতো নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য পরিকল্পনা করছে।’
‘পুলিশ এ ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে মামলা করলে তাকে হয়রানিমূলক মামলা বলা যায় না। কারণ যে কোনো ধরনের নাশকতার তথ্য থাকে গোয়েন্দাদের কাছে, আওয়ামী লীগের কাছে নয়।’
বিএনপির নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনারা প্রয়োজনে আদালতে যান, নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করুন। আদালত নিরপেক্ষ ও স্বাধীন।’
সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে ১৪ দলের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি