এক-এগারোর সময়ে বিএনপিতে সংস্কারপন্থি হিসেবে চিহ্নিত প্রাক্তন সাংসদসহ বেশ কিছুসংখ্যক নেতা যারা দীর্ঘদিন দলীয় কর্মকাণ্ডের বাইরে ছিলেন তারা ফের দলে সক্রিয় হলেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংস্কারপন্থি ১১ জন প্রাক্তন সাংসদ দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এক-এগারোর সময়ে যারা বহিস্কৃত হয়েছিলেন তাদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং যারা ওই সময়ে পদত্যাগ করে অন্য দলে চলে গিয়েছিলেন তাদেরও দলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই বৈঠক হয়।
বৈঠকে পদত্যাগী প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, প্রাক্তন হুইপ আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান রয়েছেন। এরা বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে কর্নেল অলি আহমেদের নেতৃত্বে এলডিপি গঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন ২০০৭ সালে।
বৈঠকে আরো ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ আবু হেনা, জি এম সিরাজ, সর্দার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নজির হোসেন, ডা. জিয়াউল হক মোল্লা, আতাউর রহমান আঙ্গুর, ইলেন ভুট্টো, শফিকুল ইসলাম তালুকদার, শহিদুল আলম তালুকদার ও জহির উদ্দিন স্বপন। এরা ১/১১ এরপর থেকে সংস্কারপন্থি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর তারা কোনো দলে যোগ দেননি, নিস্ক্রিয় ছিলেন।
এর মধ্যে ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রাক্তন সাংসদ ও দলের তথ্য-গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জহির উদ্দিন স্বপন ও প্রাক্তন সাংসদ সর্দার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে খালেদা জিয়া নিজ কার্যালয়ে ডেকে তাদেরকে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় কাজ করার নির্দেশ দেন।
বৈঠকের একাধিক নেতার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, দলের প্রাক্তন দফতর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তিসহ কয়েকজনের বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যদের সাথেও মহাসচিব বৈঠক করবেন বলে জানান তারা।
দলের সহ দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের প্রেক্ষাপটে দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সক্রিয় হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। যার অংশ হিসেবে স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে বৃহস্পতিবার গুলশানে মহাসচিব কয়েকজন প্রাক্তন সাংসদের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে মহাসচিব তাদেরকে পূর্ণ মাত্রায় সক্রিয় হয়ে দলকে শক্তিশালী করা ও সকল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার আহবান জানিয়েছেন।
চলমান জাতীয় সংকট, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ সকল কারাবন্দি নেতা-কর্মীর মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ নানা বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংস্কারপন্থি ১১ জন প্রাক্তন সাংসদ দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এক-এগারোর সময়ে যারা বহিস্কৃত হয়েছিলেন তাদের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং যারা ওই সময়ে পদত্যাগ করে অন্য দলে চলে গিয়েছিলেন তাদেরও দলে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই বৈঠক হয়।
বৈঠকে পদত্যাগী প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, প্রাক্তন হুইপ আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান রয়েছেন। এরা বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে কর্নেল অলি আহমেদের নেতৃত্বে এলডিপি গঠনের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন ২০০৭ সালে।
বৈঠকে আরো ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ আবু হেনা, জি এম সিরাজ, সর্দার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নজির হোসেন, ডা. জিয়াউল হক মোল্লা, আতাউর রহমান আঙ্গুর, ইলেন ভুট্টো, শফিকুল ইসলাম তালুকদার, শহিদুল আলম তালুকদার ও জহির উদ্দিন স্বপন। এরা ১/১১ এরপর থেকে সংস্কারপন্থি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার পর তারা কোনো দলে যোগ দেননি, নিস্ক্রিয় ছিলেন।
এর মধ্যে ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রাক্তন সাংসদ ও দলের তথ্য-গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জহির উদ্দিন স্বপন ও প্রাক্তন সাংসদ সর্দার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে খালেদা জিয়া নিজ কার্যালয়ে ডেকে তাদেরকে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় কাজ করার নির্দেশ দেন।
বৈঠকের একাধিক নেতার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, দলের প্রাক্তন দফতর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তিসহ কয়েকজনের বহিস্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যদের সাথেও মহাসচিব বৈঠক করবেন বলে জানান তারা।
দলের সহ দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের প্রেক্ষাপটে দলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সক্রিয় হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। যার অংশ হিসেবে স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশে বৃহস্পতিবার গুলশানে মহাসচিব কয়েকজন প্রাক্তন সাংসদের সাথে বৈঠক করেন। বৈঠকে মহাসচিব তাদেরকে পূর্ণ মাত্রায় সক্রিয় হয়ে দলকে শক্তিশালী করা ও সকল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার আহবান জানিয়েছেন।
চলমান জাতীয় সংকট, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ সকল কারাবন্দি নেতা-কর্মীর মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ নানা বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি