বিএনপির
উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ‘অপহরণ ও হত্যা’ পরিকল্পনার অভিযোগ এনে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে’ যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে
এ বিষয়ে একটি বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তিনি। বাংলাদেশি এক রাজনীতিকের বিষয়ে মার্কিন
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সংরক্ষিত তথ্য পেতে এফবিআইয়ের এক সদস্যকে ঘুষ দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র
প্রবাসী এক বিএনপি নেতার ছেলের কারাদণ্ড নিয়ে
আলোচনার মধ্যেই জয়ের এই বক্তব্য এল। রোববার রাতে ফেইসবুকে তিনি লিখেছেন, “আমাকে যখন
কেউ হত্যার চেষ্টা করছে, সেটিও তখন আমি খুবই ব্যক্তিগত ব্যাপার হিসেবে নিচ্ছি। যারা
এর জন্য দায়ী,তারা বিএনপির যতো উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বই হোক না কেন, আমি তাদের হদিশ
বের করে বিচারের মুখোমুখি করবো।”যুক্তরাষ্ট্রে দণ্ডিত রিজভী আহমেদ ওরফে সিজার (৩৬)
বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনের
ছেলে। পরিবার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কানেটিকাটের ফেয়ারফিল্ড কাউন্টিতে বসবাস করেন মামুন।
সিজার যে বাংলাদেশি রাজনীতিকের তথ্য কিনতে ঘুষ দিয়েছিলেন তার নাম আদালতের নথিতে উহ্য রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে সেই রাজনীতিবিদ সিজারের বিপরীত রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী। তবে বিভিন্ন সংবাদপত্রের খবর, সেই রাজনীতিবিদ হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জয়। রোববার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরাও একই কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা জয়কে ‘অপহরণের ষড়যন্ত্রে’ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব জড়িত দাবি করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাংসদরা। সিজারের সাজার আদেশ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের একটি প্রেস রিলিজের লিংক দিয়ে জয় তার ফেইসবুকে লিখেছেন, “বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্ব সিজারকে মাসে ৪০,০০০ মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রথম দফায় ৩০,০০০ মার্কিন ডলার ক্যাশ প্রদান করে। তদন্ত চলছে তাই আমি তাদের নাম প্রকাশ করতে পারছি না। বিএনপি আমাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণের পর হত্যার পরিকল্পনা করেছিলো।” এ ধরনের পরিকল্পনাকে ‘জঙ্গিবাদি আচরণ’ আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে বিএনপির সমালোচনায় বলেন, “যে দল নিরীহ মানুষ ও শিশুকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারে, তাদের কাছ থেকে আর কী আশা করা যায়?” এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সমালোচক ও কথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদেরও সমালোচনা করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি লিখেছেন, “বিএনপি অপহরণ ও হত্যা করতে পারে, তারপরও তারা কখনোই বিএনপিকে সরাসরি দায়ী করে কিছু বলবে না। তারা সবসময় দুই দলকে দোষী করবে।আমাকে হত্যা করার জন্য বিএনপির এই প্রচেষ্টার সপক্ষে তারা কোন যুক্তি তুলে ধরবে এখন?”
সিজার যে বাংলাদেশি রাজনীতিকের তথ্য কিনতে ঘুষ দিয়েছিলেন তার নাম আদালতের নথিতে উহ্য রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে সেই রাজনীতিবিদ সিজারের বিপরীত রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী। তবে বিভিন্ন সংবাদপত্রের খবর, সেই রাজনীতিবিদ হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জয়। রোববার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যরাও একই কথা বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা জয়কে ‘অপহরণের ষড়যন্ত্রে’ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব জড়িত দাবি করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাংসদরা। সিজারের সাজার আদেশ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের একটি প্রেস রিলিজের লিংক দিয়ে জয় তার ফেইসবুকে লিখেছেন, “বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্ব সিজারকে মাসে ৪০,০০০ মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রথম দফায় ৩০,০০০ মার্কিন ডলার ক্যাশ প্রদান করে। তদন্ত চলছে তাই আমি তাদের নাম প্রকাশ করতে পারছি না। বিএনপি আমাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অপহরণের পর হত্যার পরিকল্পনা করেছিলো।” এ ধরনের পরিকল্পনাকে ‘জঙ্গিবাদি আচরণ’ আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে বিএনপির সমালোচনায় বলেন, “যে দল নিরীহ মানুষ ও শিশুকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারে, তাদের কাছ থেকে আর কী আশা করা যায়?” এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সমালোচক ও কথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদেরও সমালোচনা করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি লিখেছেন, “বিএনপি অপহরণ ও হত্যা করতে পারে, তারপরও তারা কখনোই বিএনপিকে সরাসরি দায়ী করে কিছু বলবে না। তারা সবসময় দুই দলকে দোষী করবে।আমাকে হত্যা করার জন্য বিএনপির এই প্রচেষ্টার সপক্ষে তারা কোন যুক্তি তুলে ধরবে এখন?”