২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির মৃত্যু হয়েছে বন্দি অবস্থায়।
তার নাম মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে মুফতি আব্দুর রউফ ওরফে আব্দুর রাজ্জাক। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন। হঠাৎ অসুস্থ হলে তাকে নেয়া হয় হাসপাতালে।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
মাওলানা রউফ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের (হুজিবি) নেতা ছিলেন। ৬০ বছর বয়সী রউফের বাড়ি মাদারীপুরের রাজৈর থানার মজুমদারকান্দী গ্রামে।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল নিউজবাংলাকে জানান, রউফ দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়।
সেখান থেকে রউফকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রউফ দুটি মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন। এর একটি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় এবং অপরটি ২০০১ সালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সমাবেশস্থলের পাশে বোমা পুঁতে রাখার ঘটনায়।
উচ্চ আদালতে প্রাণদণ্ড অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল।
ঢাকার মতিঝিল থানার দুটি, রমনা থানার একটি ও ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার বিস্ফোরক দ্রব্যাদি মামলার প্রতিটিতে ৩০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড হয় রউফের।
২০১৬ সালের ২ নভেম্বর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় হাইসিকিউরিটি কারাগার থেকে রউফকে কাশিমপুর কারাগার-২-এ স্থানান্তর করা হয়।
গাজীপুর মেট্রো সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালটির মর্গে পাঠানো হয়েছে।’ এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]
তার নাম মাওলানা আব্দুর রউফ ওরফে মুফতি আব্দুর রউফ ওরফে আব্দুর রাজ্জাক। তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন। হঠাৎ অসুস্থ হলে তাকে নেয়া হয় হাসপাতালে।
মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
মাওলানা রউফ জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশের (হুজিবি) নেতা ছিলেন। ৬০ বছর বয়সী রউফের বাড়ি মাদারীপুরের রাজৈর থানার মজুমদারকান্দী গ্রামে।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আব্দুল জলিল নিউজবাংলাকে জানান, রউফ দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তার বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়।
সেখান থেকে রউফকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রউফ দুটি মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন। এর একটি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় এবং অপরটি ২০০১ সালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সমাবেশস্থলের পাশে বোমা পুঁতে রাখার ঘটনায়।
উচ্চ আদালতে প্রাণদণ্ড অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল।
ঢাকার মতিঝিল থানার দুটি, রমনা থানার একটি ও ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার বিস্ফোরক দ্রব্যাদি মামলার প্রতিটিতে ৩০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড হয় রউফের।
২০১৬ সালের ২ নভেম্বর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় হাইসিকিউরিটি কারাগার থেকে রউফকে কাশিমপুর কারাগার-২-এ স্থানান্তর করা হয়।
গাজীপুর মেট্রো সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালটির মর্গে পাঠানো হয়েছে।’ এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]