রাজশাহীর বাগমারায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের জান্নাত চেয়ে মোনাজাত করায় পৌর আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাককে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে পৌর আওয়ামী লীগের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ওই সভা থেকে আবদুর রাজ্জাককে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়। সভার সিদ্ধান্ত জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন পৌর মেয়র ও তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।
গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহীর বাগমারায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের জান্নাত চেয়ে মোনাজাত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এবং পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর রহমান মৃধাসহ নেতৃবৃন্দ। মোনাজাত পরিচালনা করেন পৌর আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক। বর্তমানে এই মোনাজাতটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ১৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে মোনাজাতে আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘মাবুদ জাতির জনক এবং তার পরিবারকে যারা হত্যা করেছেন, আল্লাহ তাদের সকলকে জান্নাত দান করে দিও আল্লাহ। ইয়া মাবুদ আমাদের দেশের জননেত্রী শেখ হাসিনা..’। এ সময় পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদ ও অন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের আমিন বলতে শোনা যায়।
এ ব্যাপারে তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ জানান, মোনাজাতটি ভুলবশত হয়েছে। পরে সিটি সংশোধন করা হয়েছে। তারপরেও আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা বলেন, ভাইরাল হওয়া বক্তব্যটি নজরে আসার পর পরই সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে পৌর আওয়ামী লীগের নেতাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এটি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]
ওই সভা থেকে আবদুর রাজ্জাককে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত হয়। সভার সিদ্ধান্ত জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন পৌর মেয়র ও তাহেরপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।
গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহীর বাগমারায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের জান্নাত চেয়ে মোনাজাত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ এবং পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর রহমান মৃধাসহ নেতৃবৃন্দ। মোনাজাত পরিচালনা করেন পৌর আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক। বর্তমানে এই মোনাজাতটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ১৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে মোনাজাতে আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘মাবুদ জাতির জনক এবং তার পরিবারকে যারা হত্যা করেছেন, আল্লাহ তাদের সকলকে জান্নাত দান করে দিও আল্লাহ। ইয়া মাবুদ আমাদের দেশের জননেত্রী শেখ হাসিনা..’। এ সময় পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদ ও অন্য আওয়ামী লীগ নেতাদের আমিন বলতে শোনা যায়।
এ ব্যাপারে তাহেরপুর পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ জানান, মোনাজাতটি ভুলবশত হয়েছে। পরে সিটি সংশোধন করা হয়েছে। তারপরেও আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ দারা বলেন, ভাইরাল হওয়া বক্তব্যটি নজরে আসার পর পরই সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে পৌর আওয়ামী লীগের নেতাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এটি ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]