আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ফেনীর সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন হাজারী আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।
সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় বহুল আলোচিত এ রাজনীতিকের।
বর্ণাঢ্য রাজনীতির অধিকারী জয়নাল হাজারী ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি শুরু করেছেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি ফেনী কলেজে তৎকালীন ছাত্র মজলিশের (বর্তমান ছাত্র সংসদ) জিএস ছিলেন। এরপর বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন জয়নাল হাজারী। পরে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য পদেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
শহরের মাষ্টারপাড়ার অধিবাসী জয়নাল হাজারী ১৯৮৪ সালে প্রথম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২০ বছর এ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হন। এ সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে ছিলেন। ২০০১ সালের ১৭ আগস্ট যৌথ বাহিনীর অভিযানের মুখে দেশ ছাড়ার পর আওয়ামী লীগের পদ হারান।
২০০৯ সালে দেশে ফেরার পর আর হারানো পদ ফিরে পাননি। স্থানীয় রাজনীতিতে কোনঠাসা হওয়ার পর রাজধানীতে অবস্থান করেন। সেখানে তিনি হাজারীকা প্রতিদিন নামে পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদে স্থান পান তিনি।
তিনি চিরকুমার ছিলেন।
এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]
সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় বহুল আলোচিত এ রাজনীতিকের।
বর্ণাঢ্য রাজনীতির অধিকারী জয়নাল হাজারী ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি শুরু করেছেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি ফেনী কলেজে তৎকালীন ছাত্র মজলিশের (বর্তমান ছাত্র সংসদ) জিএস ছিলেন। এরপর বৃহত্তর নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হন জয়নাল হাজারী। পরে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য পদেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
শহরের মাষ্টারপাড়ার অধিবাসী জয়নাল হাজারী ১৯৮৪ সালে প্রথম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়ে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২০ বছর এ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য হন। এ সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে ছিলেন। ২০০১ সালের ১৭ আগস্ট যৌথ বাহিনীর অভিযানের মুখে দেশ ছাড়ার পর আওয়ামী লীগের পদ হারান।
২০০৯ সালে দেশে ফেরার পর আর হারানো পদ ফিরে পাননি। স্থানীয় রাজনীতিতে কোনঠাসা হওয়ার পর রাজধানীতে অবস্থান করেন। সেখানে তিনি হাজারীকা প্রতিদিন নামে পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদে স্থান পান তিনি।
তিনি চিরকুমার ছিলেন।
এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]