‘সামার ইন্টার্ন কম্পিটিশন অব রিসার্চ অ্যাবস্ট্রাক্ট সাবমিশন’ প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিফাত আব্দুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইত্তেফাক অনলাইনকে তিনি এ বিষয়টি জানান। ইমরান শাবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
আন্ডারগ্রাজুয়েট কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের গবেষণার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতাগুলোর অন্যতম ‘সামার ইন্টার্ন কম্পিটিশন অব রিসার্চ অ্যাবস্ট্রাক্ট সাবমিশন’। ‘আমেরিকার ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স’ (এআইসিএইচই) এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।
ফাইনাল পর্বের ব্যাপারে রিফাত বলেন, এ প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্ব সাধারণত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে থাকে। তবে, করোনা মহামারির কারণে এবছরের প্রতিযোগিতা ২৪ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৮টায় ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ প্রতিযোগিতার ধাপগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, সাধারণত তিন ধাপে এ প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। প্রথম ধাপে, রিসার্চ পেপার জমা দিতে হয়, দ্বিতীয় ধাপে, রিসার্চ পেপার সিলেকশন এবং ভাইবা, আর তৃতীয় ধাপ হচ্ছে ফাইনাল পর্ব।
এ প্রতিযোগিতার গবেষণার তার গবেষণা বিষয় সম্পর্কে বলেন, ‘চিটাগুড় থেকে ইথানল উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ' বিষয়ক রিসার্চ পেপার ২০২১ এর ১২ ডিসেম্বর পেপার জমা দেই। যেটি, ২ জানুয়ারি সিলেক্ট হয়েছে বলে ‘এআইসিএইচই’র পক্ষ থেকে জানানো হয়। এবং, একইদিন তারা আমার ভাইবাও নেয়।
সবশেষ, ২৩ জানুয়ারি ফাইনাল প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হয়েছি বলে, ‘এআইসিএইচই'র পক্ষ থেকে বলা হয়। আর এ প্রতিযোগিতার মেন্টর হিসেবে ছিলেন শাবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ।
ফাইনাল পর্বের অন্যদের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে কানাডার কেন্না এবং দ্বিতীয় হয়েছে আমেরিকার টমাস।
এ বিষয়ে শাবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এটা অবশ্যই খুশির খবর। ‘বাংলার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ প্রতিযোগিতায় দেশব্যাপী দ্বিতীয় অবস্থানের পর আজকের এমন খবর অবশ্যই আনন্দের। আশা করি, সামনের দিনগুলিতে শাবি এমন প্রতিযোগিতায় উত্তরোত্তর উন্নতির মাধ্যমে দেশকে আরও অনেকবেশি এগিয়ে নিয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, রিফাতের পিতা মো. রফিক ঘরামী এবং মাতা শিউলি বেগম। তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের ক্রোকিরচর গ্রামে।
এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]
বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইত্তেফাক অনলাইনকে তিনি এ বিষয়টি জানান। ইমরান শাবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
আন্ডারগ্রাজুয়েট কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের গবেষণার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতাগুলোর অন্যতম ‘সামার ইন্টার্ন কম্পিটিশন অব রিসার্চ অ্যাবস্ট্রাক্ট সাবমিশন’। ‘আমেরিকার ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স’ (এআইসিএইচই) এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।
ফাইনাল পর্বের ব্যাপারে রিফাত বলেন, এ প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্ব সাধারণত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে থাকে। তবে, করোনা মহামারির কারণে এবছরের প্রতিযোগিতা ২৪ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল ৮টায় ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ প্রতিযোগিতার ধাপগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, সাধারণত তিন ধাপে এ প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে। প্রথম ধাপে, রিসার্চ পেপার জমা দিতে হয়, দ্বিতীয় ধাপে, রিসার্চ পেপার সিলেকশন এবং ভাইবা, আর তৃতীয় ধাপ হচ্ছে ফাইনাল পর্ব।
এ প্রতিযোগিতার গবেষণার তার গবেষণা বিষয় সম্পর্কে বলেন, ‘চিটাগুড় থেকে ইথানল উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ' বিষয়ক রিসার্চ পেপার ২০২১ এর ১২ ডিসেম্বর পেপার জমা দেই। যেটি, ২ জানুয়ারি সিলেক্ট হয়েছে বলে ‘এআইসিএইচই’র পক্ষ থেকে জানানো হয়। এবং, একইদিন তারা আমার ভাইবাও নেয়।
সবশেষ, ২৩ জানুয়ারি ফাইনাল প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হয়েছি বলে, ‘এআইসিএইচই'র পক্ষ থেকে বলা হয়। আর এ প্রতিযোগিতার মেন্টর হিসেবে ছিলেন শাবির কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আবু ইউসুফ।
ফাইনাল পর্বের অন্যদের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে কানাডার কেন্না এবং দ্বিতীয় হয়েছে আমেরিকার টমাস।
এ বিষয়ে শাবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এটা অবশ্যই খুশির খবর। ‘বাংলার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ প্রতিযোগিতায় দেশব্যাপী দ্বিতীয় অবস্থানের পর আজকের এমন খবর অবশ্যই আনন্দের। আশা করি, সামনের দিনগুলিতে শাবি এমন প্রতিযোগিতায় উত্তরোত্তর উন্নতির মাধ্যমে দেশকে আরও অনেকবেশি এগিয়ে নিয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, রিফাতের পিতা মো. রফিক ঘরামী এবং মাতা শিউলি বেগম। তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের ক্রোকিরচর গ্রামে।
এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]