নিউমার্কেট এলাকায় সহিংস সংঘর্ষের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
তিনি বলেন, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তাদের চরম ধৈর্য্য দেখিয়ে কাজ করছে। আশা করছি কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যাবে।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ঈদের আগে পোশাক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং রাস্তাঘাট সংরক্ষণ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কি থেকে সংঘর্ষ হয় যা অপ্রত্যাশিত ছিল।
সাংবাদিকসহ অনেকে আহত হয়েছেন এবং অনেক শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়েছেন।
এদিকে মঙ্গলবার ভোরে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পরও কেন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রদের সাথে আচরণ করার সময় আমাদের কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এটি একটি সাধারণ জমায়েত বা গণসমাবেশ নয় যে আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য গুলি চালাতে পারি। ছাত্ররা ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছিল। পুলিশ ব্যবসায়ী ও দোকানের কর্মচারীদের তাদের কর্মস্থলে ফিরে যেতে বোঝানোর চেষ্টা করেছে।’
তিনি বলেন, আশপাশের সমস্ত বাজারের শ্রমিক বা দোকানের কর্মচারীরা রাস্তায় নেমে এসেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা আরো কঠিন করে তুলেছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা যেখানেই সংঘর্ষের খবর পাই সেখানেই পুলিশ বাহিনী পাঠাচ্ছি।
সোমবার মধ্যরাতে ব্যবসায়ী ও কলেজশিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে তারা অভিযোগ করে যে কয়েকজন শিক্ষার্থী কেনাকাটা করতে নিউমার্কেটে গেলে কয়েকজন দোকানদারের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই শিক্ষার্থীকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে নিউমার্কেটের নীলক্ষেত মোড়ে ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারো সংঘর্ষ হয়। এতে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
সোমবার রাতে ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত মোড়ে মানববন্ধন করতে গেলে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিউমার্কেটের কয়েকজন ব্যবসায়ী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত ও উসকানি দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষের পর মঙ্গলবারের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করেছে ঢাকা কলেজ কর্তৃপক্ষ। এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]
তিনি বলেন, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তাদের চরম ধৈর্য্য দেখিয়ে কাজ করছে। আশা করছি কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যাবে।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ঈদের আগে পোশাক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ এবং রাস্তাঘাট সংরক্ষণ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কি থেকে সংঘর্ষ হয় যা অপ্রত্যাশিত ছিল।
সাংবাদিকসহ অনেকে আহত হয়েছেন এবং অনেক শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়েছেন।
এদিকে মঙ্গলবার ভোরে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পরও কেন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রদের সাথে আচরণ করার সময় আমাদের কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এটি একটি সাধারণ জমায়েত বা গণসমাবেশ নয় যে আমরা তাদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য গুলি চালাতে পারি। ছাত্ররা ১০ তলা ভবনের ছাদ থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছিল। পুলিশ ব্যবসায়ী ও দোকানের কর্মচারীদের তাদের কর্মস্থলে ফিরে যেতে বোঝানোর চেষ্টা করেছে।’
তিনি বলেন, আশপাশের সমস্ত বাজারের শ্রমিক বা দোকানের কর্মচারীরা রাস্তায় নেমে এসেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা আরো কঠিন করে তুলেছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা যেখানেই সংঘর্ষের খবর পাই সেখানেই পুলিশ বাহিনী পাঠাচ্ছি।
সোমবার মধ্যরাতে ব্যবসায়ী ও কলেজশিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে তারা অভিযোগ করে যে কয়েকজন শিক্ষার্থী কেনাকাটা করতে নিউমার্কেটে গেলে কয়েকজন দোকানদারের সাথে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই শিক্ষার্থীকে মারধর ও ছুরিকাঘাত করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে নিউমার্কেটের নীলক্ষেত মোড়ে ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারো সংঘর্ষ হয়। এতে সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীসহ ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
সোমবার রাতে ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত মোড়ে মানববন্ধন করতে গেলে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিউমার্কেটের কয়েকজন ব্যবসায়ী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত ও উসকানি দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংঘর্ষের পর মঙ্গলবারের সব ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত করেছে ঢাকা কলেজ কর্তৃপক্ষ। এলএবাংলাটাইমস/এলআরটি/বি
[এলএ বাংলাটাইমসের সব নিউজ আরও সহজভাবে পেতে ‘প্লে-স্টোর’ অথবা ‘আই স্টোর’ থেকে ডাউনলোড করুন আমাদের মোবাইল এপ।]