উপকূলের দস্যু আর কক্সবাজার-চট্টগ্রামের জঙ্গি এবং সন্ত্রাসীদের কাছে বাবুল আক্তার এক আতঙ্কের নাম। চাকরি জীবনের অল্প সময়েই কাজের জন্য সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি; কিন্তু হঠাৎ তার স্ত্রীর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর জনমনে প্রশ্নÑ বাবুল আক্তারের কর্মদক্ষতা ও নিষ্ঠা আর সাহসিকতার কারণেই কি এ হত্যাকাণ্ড? তার মনোবল ভেঙে দিতেই তার স্ত্রীকে টার্গেট করে দুষ্কৃৃতকারীরা এমনটিও ধারণা করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।
২৪ তম ব্যাচের বিসিএস কর্মকর্তা বাবুল আক্তার ২০০৫ সালে যোগ দেন বাংলাদেশ পুলিশে। সারদা পুলিশ একাডেমিতে প্রশিণ শেষে কর্মজীবন শুরু করেন র্যাব-২-এ। ২০০৮ সালে চট্টগ্রামের (সিএমপি) কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার পদে কাজ শুরু করেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে তিনি কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে যোগ দেন। এর পর ২০১৩ সাল থেকে চট্টগ্রামের গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) পদে কর্মরত ছিলেন বাবুল। সম্প্রতি তিনি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এরপর পুলিশ সদর দফতরে যোগ দেন।
পুলিশ সুপার হিসেবে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া সিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বাবুল আক্তার চট্টগ্রামে বিভিন্ন জঙ্গি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেন। সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন একাধিকবার। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে সেবা আর সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক এবং আইজিপি ব্যাজ, পরের বছরই পুলিশের সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল পুরস্কার বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল পান বাবুল। চারবার অর্জন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের সেরা সহকারী পুলিশ সুপারের মর্যাদা।
২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রামুর বৌদ্ধমন্দিরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সরকারি তদন্ত কমিটির সদস্য ছিলেন বাবুল। তদন্ত অনুসারে হামলার ইন্ধনদাতা হিসেবে আরাকানি নেতা আবু ছালেহকে গ্রেফতারে ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। এর আগে থেকেই তার ওপর নানা ধরনের হুমকি আসতে থাকলেও তিনি কাজকে একমাত্র ল্য করে রেখেছেন জীবনে। ২০০৯ সালে নগরীর টাইগার পাস এলাকায় এক সন্ত্রাসী ধরতে গিয়ে অস্ত্রের মুখোমুখি হওয়ার পর প্রাণের ভয় না করে আসামিকে আটক করতে সফল হয়েছিলেন বাবুল আক্তার। এ কারণে তিনি পেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক বা পিপিএম (সাহসিকতা) ২০০৯।
বাবুল আক্তার শুরু থেকেই জঙ্গি, সাইবার ক্রাইম, মাদক ও উপকূলের অপরাধীদের কাছে আতঙ্কের নাম। ২০১৫ সালের অক্টোবরে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর খোয়াজনগর এলাকার একটি ভবনে জেএমবি আস্তানায় অভিযান চালাতে গিয়ে তিনি গ্রেনেড হামলা থেকে অল্পের জন্য রা পান। এরপরও সেখান থেকে আটক করেন জেএমবি চট্টগ্রামের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ জাবেদকে।
গতকাল সকাল সাড়ে ৬টায় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানমকে গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দুষ্কৃতকারীরা। আদরের ছেলেকে স্কুলের বাসে তুলে দেয়ার জন্য তিনি জিইসি মোড়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা তিন দুষ্কৃৃতকারী তাকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহ জঙ্গি দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখার কারণে বাবুল আক্তারকে আতঙ্কিত করতে জঙ্গিরাই তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
২৪ তম ব্যাচের বিসিএস কর্মকর্তা বাবুল আক্তার ২০০৫ সালে যোগ দেন বাংলাদেশ পুলিশে। সারদা পুলিশ একাডেমিতে প্রশিণ শেষে কর্মজীবন শুরু করেন র্যাব-২-এ। ২০০৮ সালে চট্টগ্রামের (সিএমপি) কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার পদে কাজ শুরু করেন। পরে পদোন্নতি পেয়ে তিনি কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে যোগ দেন। এর পর ২০১৩ সাল থেকে চট্টগ্রামের গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) পদে কর্মরত ছিলেন বাবুল। সম্প্রতি তিনি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এরপর পুলিশ সদর দফতরে যোগ দেন।
পুলিশ সুপার হিসেবে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া সিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বাবুল আক্তার চট্টগ্রামে বিভিন্ন জঙ্গি ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেন। সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছেন একাধিকবার। ২০০৮ ও ২০০৯ সালে সেবা আর সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক এবং আইজিপি ব্যাজ, পরের বছরই পুলিশের সর্বোচ্চ মর্যাদাশীল পুরস্কার বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল পান বাবুল। চারবার অর্জন করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের সেরা সহকারী পুলিশ সুপারের মর্যাদা।
২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রামুর বৌদ্ধমন্দিরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সরকারি তদন্ত কমিটির সদস্য ছিলেন বাবুল। তদন্ত অনুসারে হামলার ইন্ধনদাতা হিসেবে আরাকানি নেতা আবু ছালেহকে গ্রেফতারে ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। এর আগে থেকেই তার ওপর নানা ধরনের হুমকি আসতে থাকলেও তিনি কাজকে একমাত্র ল্য করে রেখেছেন জীবনে। ২০০৯ সালে নগরীর টাইগার পাস এলাকায় এক সন্ত্রাসী ধরতে গিয়ে অস্ত্রের মুখোমুখি হওয়ার পর প্রাণের ভয় না করে আসামিকে আটক করতে সফল হয়েছিলেন বাবুল আক্তার। এ কারণে তিনি পেয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক বা পিপিএম (সাহসিকতা) ২০০৯।
বাবুল আক্তার শুরু থেকেই জঙ্গি, সাইবার ক্রাইম, মাদক ও উপকূলের অপরাধীদের কাছে আতঙ্কের নাম। ২০১৫ সালের অক্টোবরে চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর খোয়াজনগর এলাকার একটি ভবনে জেএমবি আস্তানায় অভিযান চালাতে গিয়ে তিনি গ্রেনেড হামলা থেকে অল্পের জন্য রা পান। এরপরও সেখান থেকে আটক করেন জেএমবি চট্টগ্রামের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ জাবেদকে।
গতকাল সকাল সাড়ে ৬টায় পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানমকে গুলি ও ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দুষ্কৃতকারীরা। আদরের ছেলেকে স্কুলের বাসে তুলে দেয়ার জন্য তিনি জিইসি মোড়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে আসা তিন দুষ্কৃৃতকারী তাকে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে পালিয়ে যায়।
প্রাথমিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সন্দেহ জঙ্গি দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখার কারণে বাবুল আক্তারকে আতঙ্কিত করতে জঙ্গিরাই তার স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি