বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সংসদে সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতির জন্য গণভোটে যেতে হবে কেন? প্রত্যেক দলের অনেক ইস্যু আছে, যেগুলোর ঐকমত্য হয়নি। যদি গণভোটের প্রক্রিয়ায় আপনি যেতে চান, তাহলে আগামী দুই বছর ধরে গণভোটই করতে হবে। জনগণ আমাদের গণভোট করার দায়িত্ব দেয়নি।
শনিবার রাজধানীর মৌচাকে কসমস সেন্টারে কসমস গ্রুপ ও ইউনাইটেড নিউজ এজেন্সি অব বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘ইলেকশন ২০২৬: এ ক্রিটিকাল লুক অ্যাট প্রোপশনাল রিপ্রেজেন্টেশন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৪ মাস ধরে একটা সরকার আছে, যে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত না। তাই আগে একটি নির্বাচিত সরকার, নির্বাচিত সংসদ গঠন করতে হবে। তারপর প্রত্যেকটি দলের অধিকার আছে তাদের বিষয়গুলো নিয়ে জনমত সৃষ্টি করার, জনগণের কাছে যাওয়ার।
পিআর পদ্ধতি দলীয় কিছু আসন বাড়ানো ছাড়া জনগণের কোনো সুবিধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। তিনি বলেন, আমি কেন পিআর চাচ্ছি? আমি পার্লামেন্টে কিছু বেশি সিট (আসন) পাব, এর বাইরে কিছু না। এখন আমি পার্লামেন্টে অধিকতর ক্ষমতাবান হব, অধিক সিট পাব, সেই কারণে মানুষের মৌলিক যে দাবি সেটাকে অগ্রাহ্য করব, এটা তো গণতন্ত্রের ভাষা নয়।
আলোচনা সভায় এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মামুন আল মোস্তফা। কসমস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনায়েতউল্লাহ খানের সভাপতিত্বে সভায় অংশ নেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণঅধিকারের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান প্রমুখ।
এলএবাংলাটাইমস/আইটিএলএস