রাত পোহালেই রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) নির্বাচন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের মেয়র পদে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ করেছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে নির্বাচনি সামগ্রী। বর্তমান কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে ‘মডেল’ হিসেবে দেখতে চায় কমিশন। এদিকে রংপুর সিটি নির্বাচনের একটি কেন্দ্রে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) ব্যবহারে ইসির সব প্রস্তুতি থাকলেও শেষ সময়ে এসে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে বুধবার বিকালে আগারগাঁওস্থ কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করে কমিশন।
এসময় সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা রেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা বলেন, ভোটের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের যে অবজারভেশন―পরিস্থিতি সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে। সুন্দর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোট হবে।
এ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাত করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এমন কথাও তুলে ধরেন সিইসি।
এ সময় নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমান কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি ও সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও আরও ৪জন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন আওয়ামী লীগের সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, বিএনপির কাওছার জামান বাবলা, সিপিবি ও বাসদের আব্দুল কুদ্দুস, ইসলামী আন্দোলনের এবিএম গোলাম মোস্তফা, এনপিপির শাহিন রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের আপন ভাতিজা আসিফ মকবুল শাহরিয়ার।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ২১১ জন এবং ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ৬৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রংপুর সিটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৮৯৪ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৬ হাজার ২৫৬, মহিলা ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৩৮ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৯৩। ভোটকক্ষ ১১৭৮টি। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ৩ হাজার ৫৫৯ জন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি
নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি বিষয়ে বুধবার বিকালে আগারগাঁওস্থ কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করে কমিশন।
এসময় সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রত্যাশা রেখে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা বলেন, ভোটের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের যে অবজারভেশন―পরিস্থিতি সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে। সুন্দর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোট হবে।
এ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাত করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এমন কথাও তুলে ধরেন সিইসি।
এ সময় নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম ও শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমান কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় এই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি ও সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও আরও ৪জন প্রার্থী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হচ্ছেন আওয়ামী লীগের সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, বিএনপির কাওছার জামান বাবলা, সিপিবি ও বাসদের আব্দুল কুদ্দুস, ইসলামী আন্দোলনের এবিএম গোলাম মোস্তফা, এনপিপির শাহিন রহমান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের আপন ভাতিজা আসিফ মকবুল শাহরিয়ার।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ২১১ জন এবং ১১টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ৬৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রংপুর সিটিতে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৮৯৪ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৬ হাজার ২৫৬, মহিলা ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৩৮ জন। মোট ভোটকেন্দ্র ১৯৩। ভোটকক্ষ ১১৭৮টি। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা ৩ হাজার ৫৫৯ জন।
এলএবাংলাটাইমস/এন/এলআরটি